• ট্রাঙ্কুলাইজ করার পরেই মৃত্যু মানুষখেকো বাঘিনির, লেপার্ডের হানাতেও মৃত্যুর নাবালকের
    এই সময় | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • এক দিনে দু'জনকে হত্যা করেছিল একটি বাঘিনি। মানুষখেকো ওই বাঘিনির আতঙ্কে সিঁটিয়েছিলেন এলাকার লোকজন। তাঁদের আতঙ্কমুক্ত করে ওই বাঘিনিকে ট্রাঙ্কুলাইজ করে নিয়ে যান বন দপ্তরের আধিকারিকরা। ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার পরেই মৃত্যু হয়েছে ওই বাঘিনির। মহারাষ্ট্রের এই ঘটনার পাশাপাশি আতঙ্ক দেখা দিয়েছে উত্তরপ্রদেশের বাহারাইচ জেলায়। সেখানে ফের লেপার্ডের হামলা। ওই হামলায় মৃত্যু হয়েছে এক নাবালকের।

    বাঘিনির হামলায় মৃত্যু

    বনদপ্তর সূত্রে খবর,অগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে মহারাষ্ট্রের অমরাবতী ও ওয়ার্ধা জেলায় চারজনকে হত্যা করেছিল একটি বাঘিনি। শনিবার থেকে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই দু’জনকে হত্যা করেছিল সে। শনিবার,সোনোরি গ্রামে ঘাস কাটার সময়ে ওই বাঘিনি হামলায় মৃত্যু হয় উর্মিলা বাজিরাও ইভনে (১৮)-র। বাঘিনিকে দেখেই একটি গাছে চড়েন উর্মিলা। গাছ থেকে তাঁকে টেনে নামিয়ে নিয়ে যায় ওই বাঘিনি। এর পরেই শিরাজগাঁও কসবায় দীনেশ আওয়ার(৪৫) নামে এক কৃষককে আক্রমণ করে ওই বন্যপ্রাণীটি। আতঙ্কিত বাসিন্দারা ওই প্রাণীটিকে অবিলম্বে ধরার দাবিও জানান।

    বাঘিনিকে বন্দি

    ওই বাঘিনিকে মানুষখেকো (man-eater) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বন দপ্তরের আধিকারিকরা জানান, শিরাজগাঁও কসবায় ওই বাঘিনিকে লক্ষ্য করা যায়। তার পরেই সেটিকে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর পরেই সোমবার বন দপ্তরের একটি বিশেষ দল চান্দুর বাজার এলাকায় ট্রাঙ্কুলাইজ করে ওই বাঘিনিকে। নাগপুরের বন্যপ্রাণী উদ্ধারকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার পরেই মারা গিয়েছে ওই বাঘিনি। কী কারণে ওই বাঘিনির মৃত্যু হয় তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অমরাবতী এলাকার বন বিভাগের আধিকারিক জ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়।

    লেপার্ডের হামলা

    অন্য দিকে, দিন কয়েক আগেই বাহারাইচ জেলার কাতার্নিয়াঘাট ওয়াইল্ডলাইফ ডিভিশনের (Katarniaghat Wildlife Division) কাকরাহা রেঞ্জের মেহবুব নগর গ্রামে লেপার্ডের হামলায় মৃত্যু হয় এক যুবকের। এ বার ওই এলাকাতেই লেপার্ডের হামলায় মৃত্যু হয়েছে এক নাবালকের। মঙ্গলবার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সোমবার রাতে সেখানকার অ্যানন্দনগর গ্রামে লেপার্ডের আক্রমণে মৃত্যু হয় রাজবীর (৯)-এর। অন্য দিকে, নানপাড়া রেঞ্জের জোরয়া গ্রামে ওই লেপার্ডের আক্রমণে আহত হয় এক নাবালিকা। ওই লেপার্ডটিকে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার বিভাগীয় বনাধিকারিক (DFO) অপূর্ব দীক্ষিত। ওই লেপার্ডের পায়ের ছাপ দেখার পরে সেটিকে ধরতে খাঁচা পাতা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মৃতের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানিয়ছেন বন বিভাগের আধিকারিকরা।

  • Link to this news (এই সময়)