এই সময়, দুর্গাপুর: বাজার থেকে হলুদ রঙের পাকা কলা কিনে খাওয়ার সময়ে শরীরে বিষ ঢুকছে না তো? মঙ্গলবার খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের প্রতিনিধিরা পানাগড়ে দার্জিলিং মোড়ে একটি ফল প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে অভিযান চালানোর সময়ে কলাকে পাকানোর পদ্ধতি দেখে চমকে গিয়েছেন। ওই খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র থেকে কলা ও ইথিলিন গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে ল্যাবে। রিপোর্ট এলে পদক্ষেপ করা হবে।
কলা, পেপে, টোম্যাটো পাকানোর জন্য ইথিলিন গ্যাস ব্যবহার বৈধ। এই গ্যাস দিয়ে কলা পাকাতে সময় লাগে প্রায় ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা। অভিযোগ, দ্রুত কলা পাকাতে কিছু অসাধু চক্র ইথিলিন ছড়ানো রাসায়নিক ব্যবহার করছেন। এই রাসায়নিক সবুজ, কাঁচা কলায় ব্যবহার করে ২০ ডিগ্রির কোল্ড চেম্বারে ঢুকিয়ে দিলে মাত্র ৬ ঘণ্টা বা তারও কম সময়ে কলা পেকে হলুদ হয়ে যাচ্ছে। সেটাই বিক্রি হচ্ছে বাজারে।
অভিযোগ, এই ফল প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে তিন বছর আগে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর অভিযান চালিয়েছিল। অনিয়ম ধরা পড়ায় বন্ধও করা হয়েছিল। কিন্তু কিছু দিন পরে তা ফের শুরু হয়। খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিক শুভম ঘোষ বলেন, 'কলা ও ইথিলিন গ্যাসের একটি কন্টেনার সংগ্রহ করেছি। তা ল্যাবে পাঠানো হবে। রিপোর্ট না-আসা পর্যন্ত এই গ্যাস ব্যবহার করা যাবে না।'