আবারও আদালতের নিশানায় নয়ডা জেলা প্রশাসন। আকৃতি চৌধুরীর কেসের পরে অক্ষত ত্রিপাঠীর কেসে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের রোষানলে নয়ডার এগজ়িকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।
দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার অভিযোগে গ্রেটার নয়ডার বাসিন্দা এক আইনের পড়ুয়াকে নোটিস দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ গ্রেটার নয়ডার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশের পরেও কী ভাবে, কোন সাহসে, কোনও ম্যাজিস্ট্রেট এমন নোটিস জারি করতে পারেন!’ অসামরিক প্রতিরক্ষা আইনের ১৩০ ধারার অধীনে ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে জারি করা নোটিসটি ইতিমধ্যেই প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গৌতম বুদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের আইন পড়ুয়া অক্ষত ত্রিপাঠীকে নোটিস পাঠানোর প্রশ্নে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ২০ বছরের ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য পড়ুয়াদের CJP-র ডাকা যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। পাশাপাশি, ‘সরকারবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর’ বক্তব্য ছড়িয়েছিলেন এবং অশান্তিতে উস্কানি দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে ৪ সেপ্টেম্বর গ্রেটার নয়ডার এগজ়িকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট BNSS-এর ১৩০ নম্বর ধারায় তাঁকে শো-কজ় নোটিস দেন।
বিস্তারিত আসছে...