• বাজারে ছড়িয়ে জাল, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ! বড়বাজারে হঠাৎ হানা ইবি এবং ড্রাগ কন্ট্রোলের 
    প্রতিদিন | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • নিম্নমানের খাবার বিক্রির অভিযোগে ইতিমধ্যে শহরের একাধিক হোটেলের লাইসেন্স সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যেই এবার ভেজাল ওষুধের কারবার ধরতে বড়বাজারে হানা (Bara Bazar Raid) দিল রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল এবং কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা। বুধবার সকাল থেকে দুই সংস্থার আধিকারিকরা মেহতা বিল্ডিংয়ের বিভিন্ন দোকানে হানা দেন। একেবারে ওষুধ ধরে ধরে সমস্ত নথি খতিয়ে দেখেন। এমনকী নিষিদ্ধ কোনও ড্রাগ কিংবা জাল ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কিনা তাও শীর্ষ আধিকারিকরা খতিয়ে দেখেন বলে জানা গিয়েছে।

    বড়বাজারে মেহতা বিল্ডিংয়ে তুলনামূলক সস্তায় ওষুধ পাওয়া যায়। রাজ্যের বিভিন্ন দোকানে এই জায়গা থেকেই ওষুধ পাইকারি দরে সাপ্লাই হয়ে থাকে। বিগতদিনে বিভিন্ন সময়ে ভেজাল ওষুধের কেলেঙ্কারি সামনে এসেছে। অনলাইন সস্তায় ওষুধ বিক্রির নামে জাল ওষুধ বিক্রির বড়সড় দুর্নীতিও কলকাতায় ঘটেছে। এহেন পরিস্থিতিতে আজ, বুধবার রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল এবং কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা যৌথভাবে বড়বাজারের মেহতা বিল্ডিংয়ে হানা দেন। জানা যায়, ওষুধের ব্যাচ নম্বর মিলিয়ে দেখেন তাঁরা। পাশাপাশি কোনও জাল ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হয়। পাশাপাশি মেয়াদ ফুরানো ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কিনা সেটাও নজরে ছিল আধিকারিকদের। 

    সামনেই দুর্গাপুজো। তার আগে শহরের বিভিন্ন জায়গায় চলছে তল্লাশি অভিযান। গত ৭ দিন ধরেই রাজ্যজুড়ে বহু ছোট-বড় রেস্তরাঁ, রাস্তার পাশের খাবারের দোকানে হানা দিয়েছেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। ডেকার্স লেন থেকে শুরু করে করিমস, আরসালান, শিমলা বিরিয়ানির মতো নামকরা রেস্তরাঁগুলোও বাদ যায়নি। কোথাও গুদামে রাখা ছানায় মিলেছে ছত্রাক। কোথাও আবার মিলেছে বিপুল পরিমাণ পচা মাংস। এহেন পরিস্থিতিতে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। রাতারাতি কলকাতার ৪০ টি রেস্তরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যেই বড় বাজারে ভেজাল ওষুধের খোঁজে নেমে পড়ল রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল এবং কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। বলে রাখা প্রয়োজন, এদিন সকাল থেকে শহর এবং শহরতলির বিভিন্ন মলে হানা দিয়েছে পুলিশ এবং দমকল। খতিয়ে দেখা হচ্ছে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা।
  • Link to this news (প্রতিদিন)