পুজো প্যান্ডেলের কাছে বিরিয়ানির দোকান, কী বলছে উজ্জ্বলদা, আরসালান, শিমলা?
আজ তক | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুর্গাপুজোর ঠিক আগে বাংলায় শুরু হয়েছে আমিষ-নিরামিষ বিতর্ক। সম্প্রতি, ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী ওরফে 'বাগেশ্বর বাবা'র মন্তব্যের পর বিতর্ক আরও বেড়েছে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে পুজোয় কি বাঙালি আমিষ খাবে না? অনেকে আবার দাবি করেছিলেন পুজো প্যান্ডেলের কাছে আমিষ খাবার না বিক্রি করার। যদিও রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা সরাসরি তেমন দাবি উড়িয়ে দিয়েছে। তবে তারপরেও আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে বলে মনে করছেন অনেক ব্যবসায়ী। প্রশ্ন উঠছে, পুজোর সময় অহেতুক কিছু অশান্তিপ্রিয় লোক এসে গণ্ডগোল বাঁধাবে না তো? বিশেষ করে যে ব্যক্তিদের পাকাপাকি দোকান পুজো মন্ডপের কাছে, সেই ব্যবসায়ীরা কী বলছেন?
উজ্জ্বলদার বিরিয়ানি
যেমন মধ্যমগ্রামে রবীন্দ্রপল্লীর পুজো প্যান্ডেলের থেকে ১০০ মিটারের মধ্যেই আছে উজ্জ্বলদার বিরিয়ানির দোকান। bangla.aajtak.in -কে তিনি বলেন, "আমরা সরকারের বিরুদ্ধে না। সরকারের পাশেই রয়েছি। যদি পুজো প্যান্ডেলের পাশে বিরিয়ানির দোকান না খোলার কথা বলা হয়, তবে এই এলাকার অনেক দোকানই রয়েছে। আশা করছি কোনও সমস্যা হবে না।"
সিমলা বিরিয়ানি
পূর্ব কলকাতার বিখ্যাত পুজো শ্রীভূমির থেকে ওই এলাকার জনপ্রিয় সিমলা
বিরিয়ানির দোকান রয়েছে ৫০০-৬০০ মিটারের মধ্যে। লেকটাউনের সিমলা বিরিয়ানির ম্য়ানেজার জানান, "আমরা আশা করছি কোনও সমস্যা হবে না। আশেপাশে সবকটি ক্লাবের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত সুসম্পর্ক রয়েছে। এলাকার বেশিরভাগ মানুষ আমাদের অত্যন্ত পছন্দ করে। আর যেহেতু সরকার এ বিষয়ে কোনও নির্দেশিকা নেই, তাই এই বিতর্ক অহেতুক। তাও আমাদের মালিকপক্ষ পুজো কমিটি ও ক্লাবের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলে রেখেছে। কোনও সমস্যা হবে না।"
আরসালান বিরিয়ানি
কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় বিরিয়ানি হাব হিসেবে পরিচিত আরসালান। শহরে আরসালানের প্রায় ১২টি শাখা রয়েছে। তার মধ্যে মূল ব্রাঞ্চটি রয়েছে পার্কসার্কাসে। সেখানকার ম্যানেজার জানান, "আমিষ-নিরামিষ নিয়ে অহেতুক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। সরকার যেহেতু এখনও কোনও কিছু জানায়নি, তাই আমরা কোনও আশঙ্কা দেখছি না। তবে কিছু লোক ইচ্ছাকৃত ভাবে অহেতুক বিতর্ক তৈরি করছে। যা ঠিক নয়। তবে আশা করছি আমাদের কোনও সমস্যা হবে না। বাঙালি নিজের খাদ্যাভাস কোনও বাইরের লোকের কথায় পাল্টে ফেলবে না।"