• ‘মাধ্যম’ বিজেপি বিধায়করা, ফোনে বেকার ছেলেমেয়েদের ‘বায়োডাটা’ চাইছেন প্রতারকরা, তারপর…
    প্রতিদিন | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • এবার সাইবার প্রতারকদের টার্গেটে বিজেপি নেতা, বিধায়করা। তাঁদের কাছ থেকে গোপন তথ্য হাতিয়ে নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে প্রতারণার জাল। যদিও বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হতেই সাবধান হয়ে যান কয়েকজন বিধায়ক। ঘটনায় ইতিমধ্যে পুলিশের দ্বারস্থও হয়েছেন তাঁরা। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সম্প্রতি আসানসোল ও দুর্গাপুরে সাইবার জালিয়াতদের ডেরার হদিশ পেয়েছে পুলিশ। যদিও এই বিষয়ে আরও গভীরে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে যেভাবে শাসকদলের বিধায়কদের টার্গেট করে গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার ছক কষা হচ্ছে তাতে চিন্তায় পুলিশ প্রশাসন।

    জানা গিয়েছে, প্রতারকরা প্রথমে বিভিন্ন সোশাল মিডিয়ার ক্রিয়েটর ও ডিজিটাল মিডিয়ায় ফোন করে ফোন নম্বর সংগ্রহ করছে। তারপর সেই নেতাকে ফোন করে পুলিশের নাম করে তোলাবাজি করার চেষ্টা করেছে। এমনই একটা ঘটনা সামনে আসে ভাতার ব্লকের একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে ফোন করে টাকা চাওয়ার ঘটনায়। যদিও তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন। এদিকে, পূর্ব বর্ধমান জেলার কয়েকজন বিধায়ককে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে বলছে চারজন স্নাতক ছেলেমেয়েদের বায়োডেটা পাঠাতে। বিধায়কদের জানানো হচ্ছে। চাকরির শুরুতে সমস্ত কিছু সরকারি সুবিধা-সহ বেতন হিসেবে হাতে পাবে ৪৫ হাজার টাকা করে। এই ফোন আসার পরে বেশ কয়েকজন বিধায়ক এলাকার ৪ জন ছেলে মেয়ের বায়োডেটা হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠিয়েও দিয়েছেন। এবারে সেই তথ্য পেয়ে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা শুরু করেছে প্রতারকরা।

    জামালপুরের বিধায়ক অরুণ হালদারকে ফোন করে হিন্দিতে একজন জানায় ব্যাঙ্কের জোনাল ম্যানেজার বলছে। এলাকায় বিধায়ক হিসেবে ৪ জনের বায়োডেটা এই হোয়াটস্যাপ নম্বরে পাঠাতে। সন্দেহ হয় অরুণবাবুর, এভাবে ব্যাঙ্কে চাকরি কীভাবে হয়। এরপরেই খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন অনেক বিধায়কের কাছেই ফোন গিয়েছে। অরুণবাবু থানায় অভিযোগ করেছেন। ব্যাঙ্কেও জানিয়েছেন। মেমারির বিধায়ক মানব গুহর কাছেও একইভাবে ফোন গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের কাছে ও ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের জোনাল অফিসেও এই বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন বেশ কিছু বিধায়ক। পুলিশ জানতে পেরেছে ফোনগুলি এসেছে মূলত উত্তরপ্রদেশের একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)