তৃণমূল কংগ্রেসের জোড়াফুল প্রতীক কার দখলে যাবে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর? নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর? অক্টোবরে পুজোর আগেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচন রয়েছে। তার আগে রাজ্য রাজনীতির বিরোধী পরিসরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে এটাই।
এই উত্তরই কি মিলবে ১২ সেপ্টেম্বর? ওই দিন দুই শিবিরকেই দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। একই দিন হলেও, দুই শিবিরকে ১ ঘণ্টা অন্তর সময় দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলকে ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় ডেকে পাঠানো হয়েছে। ওই একই দিনে মমতাপন্থী তৃণমূূলকে দুপুর ১২টায় ডেকে পাঠানো হয়েছে। প্রতিনিধি দলের সদস্যদের নাম চাওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে।
ওই দিনই কি জোড়াফুল প্রতীক কার হাতে থাকবে সেটা স্থির হবে? নাকি আলোচনা আরও অনেক দূর গড়াবে? এটা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে দুই শিবিরই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং জোড়াফুল চিহ্নের হকদার বলে বার বার দাবি করেছে।
যেহেতু উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, তাই এখনই নাম ও দলীয় প্রতীক নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। এর আগে এমন পরিস্থিতিতে অর্থাৎ দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে বিবাদের সময়ে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতে দেখা গিয়েছে কমিশনকে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কোনওপক্ষ নাম ও প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না বলেও জানিয়েছে কমিশন, এমন নজিরও রয়েছে।