আগামী মাসেই নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচন। এই নির্বাচনের আগে বিস্ফোরক ‘মমতা-পন্থী’ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আবু তাহের। এই নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম আসনে বিজেপি-ই বিপুল ভোটে জিতবে বলে জানিয়ে দিলেন তিনি। সেই সঙ্গেই নন্দীগ্রামের এই তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন, বিধানসভা নির্বাচনে দাঁড়িয়ে ‘বলির পাঁঠা’ হতে চান না তিনি। একই সঙ্গে রাজ্য জুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবি জন্য আইপ্যাককেই সরাসরি দায়ী করেছেন নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া আবু তাহের।
নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনকে ভর করেই, ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। ২০০৮ সালে সেই আন্দোলনে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিলেন আবু তাহের। সেই শুভেন্দু অধিকারী এখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। নন্দীগ্রাম আসন থেকেই জিতেছিলেন তিনি। এর আগে, ২০২১-এর নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম কেন্দ্রেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে হারিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হয়েছিলেন শুভেন্দু। তবে, দিনের পর দিন উপেক্ষিতই থেকেছেন আবু তাহের।
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম আসনে উপ-নির্বাচন। এই ভোটের আগে নতুন করে উঠে এসেছে আবু তাহের-এর নাম। এই মুহূর্তে এলাকায় নেতৃত্ব দেওয়ার মতো তৃণমূল কংগ্রেসের কেউ নেই। তবে এখনও তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যপাধ্যায়ের সঙ্গেই আছেন ‘উপেক্ষিত’ আবু তাহের। তাই অনেকেরই ধারণা, নন্দীগ্রাম আসনে বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী করা হতে পারে আবু তাহের-কে।
তবে, এই আসনে তিনি যে প্রার্থী হতে রাজি নন তা বুঝিয়ে দিয়েছেন আবু তাহের। কেন এই কথা বলেছেন তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন এই ‘মমতা-পন্থী’ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা। তাঁর দাবি, দলের সুদিনের সময়ে তাঁর কথা কারোর মনে হয়নি। তাহলে এখন কেন প্রার্থী হয়ে ‘বলির পাঁঠা’ হবেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
এরই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, নন্দীগ্রাম আসনে বিপুল ভোটে জিতবে বিজেপি-ই। সেখানে অন্য কোনও দলের প্রার্থীর নির্বাচনে জেতার কোনও সুযোগ নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জিতেছিলেন শুভেন্দু। ভবানীপুর কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবেই শপথ নিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গেই নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থীই যে রেকর্ড ভোটে জিতবেন তাও জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।
বিস্তারিত আসছে...