• উপনির্বাচনে ঘাসফুল প্রতীক কার ভাগ্যে? মমতা ও ঋতব্রতদের দিল্লিতে ডেকে পাঠাল নির্বাচন কমিশন
    বর্তমান | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই তৃণমূলের পাঁচজন করে সদস্যকে শনিবার দিল্লিতে ডেকে পাঠাল নির্বাচন কমিশন। বেলা ১১টায় ঋতব্রতদের হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। আর মমতাপন্থীদের কমিশন সময় দিয়েছে বেলা ১২টা। তৃণমূলের প্রতীক বিষয়ে ওইদিন কমিশন মমতা ও ঋতব্রতপন্থীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করতে পারে বলে খবর। ইতিমধ্যে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনে একাধিক চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে কমিশনের কাছে মমতার আবেদন, প্রতীক সমস্যার নিষ্পত্তি করা হোক দ্রুত। আর ঋতব্রতরাও কমিশনকে ইতিমধ্যে চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই সূত্রে শনিবারের বৈঠকের দিকে নজর তৃণমূলের দুপক্ষেরই। 

    ঘটনাচক্রে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের যে উপনির্বাচন হতে চলেছে, তাতে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষদিন। প্রার্থী দেওয়ার ব্যাপারে তৃণমূলের দুপক্ষই প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু ঘাসফুলের প্রতীক কোন পক্ষ পাবে, তা নিয়েই কৌতূহল তুঙ্গে। রাজনীতির কারবারিরা মনে করছেন, কমিশন তিনটি পদক্ষেপ করতে পারে। (এক) সিম্বল দিতে পারে মমতার তৃণমূলকে। (দুই) ঋতব্রত তৃণমূলের হাতে প্রতীক হস্তান্তর করতে পারে। (তিন) ঘাসফুল প্রতীক কাউকেই না দিয়ে ‘ফ্রিজ’ করে দিতে পারে সেটি। 

    সেক্ষেত্রে তখন ‘নির্দল’ হিসাবেই মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে দুই তৃণমূলকে। এই প্রেক্ষিতে কমিশনের উপর চাপ বাড়াতে বুধবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিকের (সিইও) সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রত তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। অন্যদিকে, কমিশনের কাছে রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ সামিরুল ইসলাম দাবি করেছেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় সমস্ত বকেয়া আবেদনের ফয়সালা অবিলম্বে করতে হবে। দুটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে কোনো প্রকৃত ভোটার যেন ভোটদানে বঞ্চিত না-হন,তা নিশ্চিত করতে হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)