১২৫ দিনের কাজ, অর্থাৎ জি রাম জি প্রকল্পে কর্মদিবস তৈরিতে রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে উঠে এসেছে বাঁকুড়া। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত জেলায় প্রায় ১ লক্ষ ৭৬ হাজার কর্মদিবস তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, শীঘ্রই সংখ্যাটা ২ লক্ষের গণ্ডি ছাড়াবে। রাজ্যের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, ‘এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে। পশ্চিমবঙ্গে নয়, বাঁকুড়াকে গোটা দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, ১২৫ দিনের এই প্রকল্প চালু হলে পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিন্ রাজ্যে কাজের সন্ধানে যাওয়ার প্রবণতা কমবে। সেই লক্ষ্যেই গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে প্রকল্প নিয়ে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি কাজের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার ১৯০টি গ্রাম পঞ্চায়েতে গড়ে প্রায় ৯২৭টি করে কর্মদিবস তৈরি হয়েছে। আর এই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতেই রাজ্যের মধ্যে প্রথমে উঠে এসেছে বাঁকুড়া।
সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত স্তরে প্রশাসনের লাগাতার প্রচারের ফলে প্রকল্পে কাজ চেয়ে আবেদনকারীর সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত জেলায় ৬৩ হাজার ৫০৬ জন কাজের জন্য আবেদন করেছেন। তাঁদের মধ্যে বহু আবেদনকারী ইতিমধ্যেই কাজের সুযোগ পেয়েছেন।
বাঁকুড়ার এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। বিশেষ করে ব্যক্তিগত জমিতে হাপা, পুকুর খনন-সহ বিভিন্ন জল সংরক্ষণমূলক প্রকল্পের কাজের ভিত্তিতে কর্মদিবস তৈরি হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, এ ভাবে কাজের সুযোগ আরও বাড়ানো গেলে আগামী দিনে বাঁকুড়ায় কর্মদিবস তৈরির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের স্থানীয়ভাবে কাজের সুযোগও বাড়বে।