উপনির্বাচন ঘোষণার হতেই রক্তারক্তি কাণ্ড রেজিনগরে (Rejinagar By Election)। তৃণমূল ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির সংঘর্ষে উত্তপ্ত এলাকা। তৃণমূল নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণের অভিযোগ আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতার বিরুদ্ধে। দুই পক্ষের তিনজন জখম হয়েছেন। তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। ঘটনায় দু’জনকে আটক করেছে রেজিনগর থানার পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে রেজিনগর থানার অন্তর্গত এলাকায় দাদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ছেতিয়ানি গ্রাম তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য আজিরুল শেখ তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে চায়ের দোকানে দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। অভিযোগ সেই সময় আমিন শেখ তাঁর দলবল নিয়ে আজিরুলের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। তারপরই দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। হুলুস্থুল পরে যায় এলাকায়। খবর যায় পুলিশে। ঘটনার আহত ৩ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ২ জন আটক। এই ঘটনায় রাজনৈতিক কোনও কারণ রয়েছে না কি, ব্যক্তিগত কোনও কারণে হামলা চালানো হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ৬ অক্টোবর রাজ্যের দু’টি বিধানসভায় উপনির্বাচন রয়েছে। একটি রেজিনগর। অন্যটি নন্দীগ্রাম। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। নওদা ও রেজনগর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দুই আসনেই জয় পান। তবে নিয়ম মেনে একটি আসন ছাড়তে হয়। রেজিনগর ছাড়েন তিনি। এই আসনে এবার উপনির্বাচন। হুয়ামূনের ছেলে গোলাম নবী আজাদ এই আসনে ইতিমধ্যেই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তারপরই বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূল নেতার উপর আক্রমণের অভিযোগ হুমায়ুনের পার্টির বিরুদ্ধে।