মিছিলের বদলে সভার অনুমতি দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। হুগলির মাহেশের রথের মেলার মাঠে ওই সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তারপরেই সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য। বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে চারটা নাগাদ তার শুনানি হয়। সেখানেই বলা হয়, শুক্রবার দুপুরে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে ওই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
হুগলিতে মিছিলের অনুমতি চেয়েছিল তৃণমূল। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর সিঙ্গল বেঞ্চ মিছিলের বদলে সভার অনুমতি দেয়। তবে তার জন্য একাধিক শর্ত দেওয়া হয়েছিল। দুপুর ১ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত সভার অনুমতি দেওয়া হয়। ২ হাজার সমর্থক নিয়ে সভার অনুমতি দিয়েছিল আদালতের। শব্দবিধি মেনে সভা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করার অনুমতি দিয়েছিল আদালত। উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখা যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।
রাজ্য প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছিল, ওই মাঠে সভার ক্ষেত্রেও রাজ্যের আপত্তি আছে এবং ওই মাঠ ব্যক্তিগত সম্পত্তি। মাঠের মালিকের অনুমতি প্রয়োজন। রাজ্য জানিয়েছিল, ওখানে দুইটি স্কুল আছে যেখানে পরীক্ষা চলছে।
১ সেপ্টেম্বর কালীঘাট তৃণমূলের তরফে আবেদন জানানো হয় এবং ৯ সেপ্টেম্বর আবেদন খারিজ করে পুলিশ। আদালতের দ্বারস্থ হন কালীঘাট তৃণমূলের নেতা অসিত মজুমদার। মিছিলের বিরোধিতায় অশান্তির আশঙ্কা ব্যক্ত করে আদালতের দ্বারস্থ হয় স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন।