আরও অস্বস্তিতে লালুপ্রসাদ! আইআরটিসি দুর্নীতিতে যাদব পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের নির্দেশ আদালতের
প্রতিদিন | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফের অস্বস্তিতে প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব ও তাঁর পরিবার। আইআরসিটিসির হোটেল কেলেঙ্কারিতে মানি লন্ডারিং মামলায় লালুপ্রসাদ যাদব, তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবী, পুত্র তেজস্বী যাদব-সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের অনুমতি দিল্লির বিশেষ আদালতের। আগামী ৩ অক্টোবর আদালতে লালুপ্রসাদ যাদব ও অন্য অভিযুক্তদের আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দিল্লির রাউস এভিনিউ আদালতের বিশেষ বিচারক বিশাল গগনে বিহারের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের অনুমতি দিয়েছেন। রায় দেওয়ার সময় পর্যবেক্ষণে তিনি বলেন, “কিছু সন্দেহজনক লেনদেন করা হয়েছে। সন্দেহ যাদব পরিবারের সদস্যদের নামে সেই অর্থে সম্পত্তি তৈরি করা হয়েছে বা তাঁরা সেটি ভোগ করছেন।”
শুনানিতে লালুপ্রসাদ ও অভিযুক্তদের আইনজীবী আদালতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলেন। যদিও আদালত তা খারিজ করে দিয়েছে। লালু প্রসাদ, রাবড়ি দেবী, তেজস্বী যাদব, লালুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী প্রেমচাঁদ গুপ্ত ও তাঁর স্ত্রী সরলা গুপ্ত, সুজাতা হোটেলসের পরিচালক বিনয় কোচার ও বিজয় কোচার, লারা প্রজেক্টস-সহ মোট ৯ পক্ষকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলা থেকে লালু প্রসাদের জামাতা রাহুল যাদব, গৌরব গুপ্ত, নাথ মল কানকারিয়া, বিজয় ত্রিপাঠী, দেবকী নন্দন তুলস্যান, রাজীব রেলান এবং অভিষেক ফাইন্যান্স প্রাইভেট লিমিটেডকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত।
২০০৪ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে লালু প্রসাদ রেলমন্ত্রী থাকালীন রাঁচি ও পুরীর আইআরসিটিসি হোটেলের রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি দেওয়া হয় সুজাতা হোটেলকে। অভিযোগ বেনিয়ম ও বিহারে অল্পদামে জমি নেওয়ার বিনিময়ে তা দেওয়া হয়। সেই জমি বাজারদরের থেকে অনেক কম মূল্যে লালু পরিবারের সঙ্গে যুক্ত একটি কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই যাদব পরিবার ও বাকি অভিযুক্তদের ৩ অক্টোবর আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।