• এয়ার ইন্ডিয়ার ঘটনায় শিক্ষা, দেশের সব পাইলটের মাদক পরীক্ষা জুলাইয়ের মধ্যে! নির্দেশিকা ডিজিসিএ-র 
    প্রতিদিন | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • এয়ার ইন্ডিয়ার ফুকেত-দিল্লি বিমানের ঘটনা থেকে শিক্ষা। দেশের সব বিমান সংস্থার সকল পাইলটের মাদক পরীক্ষার নির্দেশ দিল ভারতীয় বিমান চলাচল নিয়ামক সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ)। আগামী বছরের জুলাই মাসের মধ্যে পাইলটদের মাদক পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে, এই মর্মে বিমান সংস্থাগুলিকে নির্দেশিকা পাঠিয়েছে নিয়ামক সংস্থা!

    বর্তমানে পাইলটদের মাদক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকলের জন্য বাধ্যতামূলক কোনও নিয়ম নেই। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী কে রামমোহন নাইডু জানিয়েছেন, চলতি মাসের শেষের দিকেই পাইলটদের মাদক পরীক্ষা সংক্রান্ত নতুন নিয়মকানুন খসড়া চূড়ান্ত হবে। এরপরেই নয়া নির্দেশিকা জারি হবে। বলা বাহুল্য, বিষয়টি মেনে চলতে হবে ভারতের সমস্ত বিমান সংস্থাগুলিকে। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে দেশের বাণিজ্যিক বিমান সংস্থাগুলিতে ১২ হাজারের বেশি পাইলট রয়েছেন। নয়া কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী, তাঁদের সকলকেই মাদক পরীক্ষা দিতে হবে।

    গত ৪ আগস্ট দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ফুকেত-দিল্লি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। একধাক্কায় প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায় বিমানটি। এর জেরে সবমিলিয়ে ২৪ জন আহত হন। কয়েকজনের আঘাত বেশ গুরুতর। গোটা ঘটনায় তদন্ত শুরু হতেই একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে আসে। প্রথম ডোপ টেস্টে ফেল করেন এক পাইলট। তাঁর শরীরে সাইকোঅ্যাক্টিভ পদার্থের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হতে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষার ফলাফলও পজিটিভ আসে। পরে ওই পাইলট স্বীকার করেন, স্রেফ গাঁজা নয়, বিমানে ওঠার আগে ঘুমের ওষুধও খেয়েছিলেন তিনি।

    এমন ঘটনায় প্রশ্ন ওঠে, বিমানগুলি আদৌ নিরাপদ তো? মাঝআকাশে এইভাবে বিমানের যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে গেলে যাত্রীদের দায়িত্ব নেবে কে? সেই কাজ নেশাগ্রস্ত পাইলটের পক্ষে তো সম্ভব নয়। অর্থাৎ, বড়সড় ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারেন যাত্রীরা। এমনকী ঘটে যেতে পারে আহমেদাবাদের মতো দুর্ঘটনাও। এই অবস্থায় নড়চড়ে বসে ভারতীয় বিমান চলাচল নিয়ামক সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ)। সেই মতোই নয়া নির্দেশিকা জারি হল বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলির পাইলটদের জন্য।
  • Link to this news (প্রতিদিন)