• ‘দেহটা অসাড়...’, ক্ষত সারলেও এখনও আতঙ্ক টাটকা
    এই সময় | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • নয়াদিল্লি: ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে থাকা অবস্থায় বন্ধুকে এসওএস মেসেজ পাঠিয়েছিলেন এক ছাত্র, সেই লাইভ লোকেশন ট্র্যাক করেই দিল্লিতে রেসকিউ অপারেশন চালাতে সুবিধা হয়েছিল উদ্ধারকারীদের। দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকার ‘হোস্টেল ডেজ়’ পিজি অ্যাকোমডেশনে থাকা নীতেশ চিব এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের বি–কম সেকেন্ড ইয়ারের ওই ছাত্র বললেন, ‘কংক্রিটের নীচে চাপা পড়েছিলাম আমি আর আমার এক বন্ধু। ওই বন্ধু কোনও মতে লাইভ লোকেশন–সহ বন্ধুদের গ্রুপে একটি এসওএস মেসেজ পাঠায়।’ এর পরেই কর্তৃপক্ষকে অ্যালার্ট করেন বন্ধুরা। ঘণ্টা দেড়েক আটকে থাকার পরে উদ্ধার করা হয় তাঁদের। সেদিনের কথা মনে পড়লে এখনও শিউরে ওঠেন চিব। বলেন, ‘আমার সারা দেহ অসাড় হয়ে গিয়েছিল। বুঝতে পারছিলাম, শরীর থেকে রক্ত ঝড়ছে। অনেকক্ষণ জ্ঞান ছিল না।’

    এ দিকে, দেশজুড়ে বহুতলের নিরাপত্তা, অবৈধ নির্মাণ ও অবৈধভাবে জমির ব্যবহার খতিয়ে দেখতে গত ২৫ মার্চই সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজধানী শহরের পুর প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা করার নির্দেশ দিল বিচারপতি আহসানউদ্দিন আমানুল্লাহ এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চ।

    দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকার পিজি অ্যাকোমডেশন ভেঙে পড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। সেই মামলা স্থানান্তরের আর্জি খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, দিল্লি হাইকোর্ট বিষয়টি নিয়মিত ভাবে পর্যবেক্ষণ করুক। অন্য দিকে, অবৈধ নির্মাণকাজের যোগসূত্রে আবাসন দপ্তরের তি‍ন ইঞ্জিন‍িয়ারকে সাসপেন্ড করেছে দিল্লি পুরসভা। অনুমোদন ছাড়া নির্মিত ৪১টি বিল্ডিং ভেঙে দিয়েছে পুর প্রশাসন, সিল করা হয়েছে ৬১টি বাড়ি।

  • Link to this news (এই সময়)