• সড়ক মুক্ত হচ্ছে, সাফারির কী হবে?
    এই সময় | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • এই সময়, লাটাগুড়ি: ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে জঙ্গল খোলার কথা। তার আগেই বুধবারের ঝড়ে লাটাগুড়ির জঙ্গলে একাধিক বড় গাছ ভেঙে পড়ায় সাফারি নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। জাতীয় সড়ক থেকে জঙ্গলের ভিতরের রুট, দুই জায়গাতেই গাছ পড়ে বিপত্তি।

    বুধবার লাটাগুড়ি ফ্লাইওভার সংলগ্ন এলাকা থেকে গোরুমারা চেকপোস্ট পর্যন্ত প্রায় ৯ কিলোমিটার রাস্তায় শাল, জারুল, চিলোনি-সহ প্রায় ১৫টি বড় গাছ ভেঙে পড়ে। প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকে যান চলাচল। সেই সময়ে রাস্তায় থাকা যাত্রিবাহী গাড়ি, বাস আটকে পড়ে। স্কুল পড়ুয়া, নিত্যযাত্রী এবং ব্যবসায়ীরা আটকে পড়েন। অল্পের জন্য দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় কয়েকটি বাসও। পরে বনকর্মীরা গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করেন। বুধবার রাস্তা থেকে গাছ সরানোর পরে বৃহস্পতিবারও কাটা গাছ সরানোর কাজ চলে। দুর্গম এলাকার গাছগুলি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরানো যাবে কি না, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন।

    সমস্যা রয়ে গিয়েছে জঙ্গলের ভিতরে। সেন্ট্রাল ও বড়দিঘি বিটের একাধিক সাফারি রুটে গাছ পড়ে রয়েছে। লাটাগু জঙ্গল সাফারিতে জিপসিতে পর্যটকেরা ৩০ কিলোমিটারের বেশি পথ ঘুরে বন্যপ্রাণ দেখেন। জঙ্গল খোলার আগে বন দপ্তর ও জিপসি চালকেরা রুটে ট্রায়ালও করেন। গাছ না সরালে সাফারি হবে কী করে? লাটাগুড়ি জিপসি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সমীর দেব বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে আমরাও চিন্তিত। আশা করছি, ১৬ তারিখের আগে বন দপ্তর রাস্তাগুলি চলাচলের উপযুক্ত করে দেবে।’

    বন দপ্তর জানিয়েছে, জঙ্গলের ভিতরের রাস্তাগুলি থেকেও গাছ সরানোর কাজ চলছে। লাটাগুড়ি রেঞ্জের রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত বলেন, জাতীয় সড়কে ১৫টি বড় গাছ পড়েছিল। জঙ্গলের ভিতরে কত গাছ পড়েছে, তা এখনও জানা যায়নি।

  • Link to this news (এই সময়)