দমদম পুরসভার প্রাক্তন উপ প্রধান তথা তৃণমূল নেতা বরুণ নট্টকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শুক্রবার সকালে নিজের বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে দমদম থানার পুলিশ। বরুণের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, প্রতারণা-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বরুণ ছাড়াও দমদম পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর পর্ণা দাসের ছেলে নয়নাশিস দাস ওরফে জনি এবং তাঁর সঙ্গী বলে পরিচিত সুমন্ত ঘোষ ওরফে লাল্টুকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দমদম থানায় তোলাবাজি ও প্রতারণার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সুজয় মজুমদার নামে স্থানীয় এক প্রোমোটার। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এরপরেই এদিন সকালে বরুণ নট্টকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গত জুনে দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন হরেন্দর সিং। কর্মী কম থাকায় পরিষেবা দিতে সমস্যা হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার পরেই পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন বরুণ নট্টও। চলতি মাসের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘জনতার দরবারে’ গিয়ে বরুণের বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়েছিলেন ওই ব্যবসায়ী। তার পরে বৃহস্পতিবার FIR দায়ের করেন তিনি।
বরুণের পাশাপাশি দমদম পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর পর্ণা দাসের ছেলে নয়নাশিস দাস ওরফে জনি এবং তাঁর সঙ্গী বলে পরিচিত সুমন্ত ঘোষ ওরফে লাল্টুকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তঁদের বিরুদ্ধেও তোলাবাজি ও প্রতারণা-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
শুক্রবার ধৃত তিন জনকেই ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগের সঙ্গে ধৃতদের সরাসরি যোগ কতটা, তোলাবাজির ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না এবং কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না—হেফাজতে নিয়ে সেই সব বিষয় খতিয়ে দেখতে চান তদন্তকারীরা।
কাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে?
দমদম পুরসভার প্রাক্তন উপ-প্রধান বরুণ নট্ট, প্রাক্তন কাউন্সিলর পর্ণা দাসের ছেলে নয়নাশিস দাস ওরফে জনি এবং সুমন্ত ঘোষ ওরফে লাল্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কী অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে?
তোলাবাজি, প্রতারণা-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
কে অভিযোগ দায়ের করেছেন?
স্থানীয় প্রোমোটার সুজয় মজুমদার বৃহস্পতিবার দমদম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
বরুণ নট্টকে কোথা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়?
শুক্রবার সকালে নিজের বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
এর পরে কী হবে?
তিন ধৃতকে শুক্রবার ব্যারাকপুর আদালতে পেশ করা হবে। অভিযোগের সঙ্গে তাঁদের যোগ এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে চাইছে পুলিশ।