• ব্রিকসে মুখোমুখি পুতিন-জিনপিং-পেজেসকিয়ান, ‘বিশ্বের কল্যাণে আলোচনা হবে’, ইতিবাচক বার্তা মোদির
    প্রতিদিন | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • শনিবার থেকে নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে শুরু হচ্ছে অষ্টাদশতম ব্রিকস সম্মেলন। চলবে রবিবার পর্যন্ত। শুক্রবারই ভারতে পৌঁছে গিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গালওয়ান যুদ্ধের পর প্রথমবার ব্রিকসে যোগ দিতে ভারতে আসছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে তাৎপর্যপূর্ণভাবে দিল্লিতে আসছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ানও। আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরুর আগে, শুক্রবার সমাজমাধ্যমে ব্রিকস নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    এদিন এক্স হ্যান্ডেলের বার্তা মোদি লেখেন, “আগামী কয়েকদিন বিশ্বের নানা প্রান্তের রাষ্ট্রপ্রধানেরা ব্রিকস সম্মেলনের জন্য সমবেত হবেন। আমি আশাবাদী যে, এই সম্মেলনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইতিবাচক এবং অর্থপূর্ণ আলোচনা হবে। বিশ্বের কল্যাণের বিষয়টিও এখানে স্থান পাবে।”

    শনি ও রবিবার দু’দিনের ব্রিকস সম্মেলন যোগ দিচ্ছেন একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। তথাপি বিশেষভাবে তিন মহাশক্তিধর দেশ, যথাক্রমে রাশিয়া, চিন ও ভারতের নেতার ‘সঙ্গম’ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশ্লেষকরা। আমেরিকার যুদ্ধংদেহী মনোভাব, যার জেরে ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষ ছ’মাস অতিক্রান্ত, এখনও অবরুদ্ধ হরমুজ, এছাড়াও একতরফা শুল্ক ও বাণিজ্য নীতির উলটো দিকে ভারত-চিন-রাশিয়ার কাছাকাছি আসা ডোনাল্ড ট্রাম্পের অস্বস্তি বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, পুতিন, জিনপিং ছা়ড়াও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ান-সহ একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ব্রিকসে যোগ দিতে ভারতে আসছেন। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে পেজেসকিয়ানের ভারত সফরও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বলছেন বিশ্লেষকরা। সব দিক বিচার করে দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকসকে মহাসম্মেলন আখ্যা দিচ্ছেন তারা। এখন প্রশ্ন হল, ব্রিকস সম্মেলন কি বৈশ্বক সংকট থেকে মুক্তির দিশা দেখাবে?
  • Link to this news (প্রতিদিন)