• 'টুকরো করে দেব', 'টুকরে গ্যাং'কে নিশানা শুভেন্দুর
    আজকাল | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ এবং ‘কৃষাণজি লাল সেলাম’-এর মতো স্লোগান দেওয়া শক্তিকে ‘উপড়ে ফেলার’ হুঁশিয়ারি বুধবারই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার আরও কড়া হুমকি দিলেন বিধানসভায় দাঁড়িয়ে। সরাসরি নিশানা করলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থীদের। 

    কী বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী?

    বৃহস্পতিবার বিধানসভায় পেশ হয়েছে বহুচর্চিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক বদলি বিল। পাশ হলে ‘পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং উন্নতমানের’ শিক্ষা পৌঁছে দিতে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে অন্যত্র বদলি করতে পারবে রাজ্য সরকার।

    এই বিল নিয়ে বিতর্কে বিধানসভায় বক্তব্য পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময়েই তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "আমি বুঝতে পারছিলাম সিপিএমের সদস্য ও তার সহযোগী আইএসএফ, তারা বুঝতে পারছে, এই বিলটা কোথায় আঘাত করবে।"

    এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, "ঋষি অরবিন্দের তৈরি করা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, যেখান হস্টেল থেকে ছাত্রছাত্রীদের বের করে নিয়ে যাবেন, বলবেন কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি, তা চলবে না। আমরাই টুকরো করে দেব আপনাদের। সীমা রয়েছে বেয়াদপের। আর্টস বিভাগের দেওয়ালে লিখছেন ফ্রি প্যালেস্টাইন। রেড স্যালুট কমরেড কিষাণজি, এক হাজার নিরীহ মানুষ খুন করেছেন, গোদাবরী থেকে গোমতী যারা আলাদা ভারত তৈরির পরিকল্পনা করেন, তাদের বরদাস্ত করা হবে না। যাঁরা বলছেন, তাঁরা চিহ্নিত।"

    অতীতের স্মৃতি টেনে 'দেশ বিরোধী' স্লোগানধারীদের পরিণতিও বাতলে দেন শুভেন্দু। বলেন, "তথাকথিত ছাত্র নামধারী নয়। যারা ব্রেন ওয়াশ করছেন, তাঁদেরকেও কড়া মাপের ওষুধ দিতে হবে। উপাচার্য গোপাল সেনকে কুপিয়ে হত্যা, প্রয়োজন হলে কমিশন বসাব। এই নামধারী জুটার লোকেরা কী করেছেন, সব ইতিহাস রয়েছে, বার করব। আমরা এই জন্য প্রয়োগ করব না, আমরা এই কারণে প্রয়োগ করব, আমাদের নতুন তৈরি হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তথাকথিত পণ্ডিতগুলোকে পাঠাব। তাঁরা গিয়ে দুর্বল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শক্তিশালী করে দিয়ে আসবেন। তথাকথিত সমাজবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চান, তাঁদের নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে আনছি। তাঁদের বিরাট মেধাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে চাই। আপত্তির কারণ কী!"

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী নিশানা করেন জুটার অধ্যাপকদেরও। বলেন, "কিছু অধ্যাপক বামপন্থীদের জামা পরে গেরুয়াকে টার্গেট করছেন। পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদে মিছিল করেন না ওঁরা। সনাতন ধর্মকে ওনারা কালচারাল মনে করেন। নকশালদের বীজ উপড়ে ফেলার এটাই সঠিক সময়।"
  • Link to this news (আজকাল)