• প্যান্ডেলে নয়, টালার বিসর্জন এবার গঙ্গায়!
    আজকাল | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • রিয়া পাত্র: হাতে আর কদ্দিন? কলকাতার পুজোর মানচিত্রে গত কয়েকবছর ধরে হটস্পট টালা প্রত্যয়। এবার হবে না টালার পুজো? থিম কী এবার? সব প্রশ্নের উত্তর মিলল, বৃহস্পতিতে। অনিশ্চিয়তা কাটিয়ে ১০১-এ ফিরছে টালা। ২০২৪ সালের পর, স্বল্প সময়ে, স্বল্প পরিসরে, শিল্পী সুশান্ত পাল ফিরছেন তাঁর ভাবনা, ‘ডিটাচমেন্ট, বিয়োজন’।

    মমতা জমানায় টালার পুজো শহরে চরম জনপ্রিয়তা পায়। শতবর্ষ পেরিয়েছে গত বছরেই। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর, টালা প্রত্যয়ের পুজো ঘিরে অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়েছিল। একদিকে বিরাট জমিতে পুজোর কাজ চলত প্রায় বছরভর। সেখানেই অভিযোগ উঠেছিল জমি জবরদখলের। ফলে পালাবদলের আগে পুজোর ভাবনা অনুযায়ী কাজ শুরু হলেও থমকে যায়। বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারির হাত ধরে, পাড়ার লোকজনকে নিয়ে নয়া কমিটি তৈরি হয়েছে। শতবর্ষ পেরোনো পুজোর গায়ে ঐতিহ্য, চিরাচরিত সংস্কৃতি মিশিয়ে এবার শহরের চোখ ধাঁধাবে তারাই। বৃহস্পতিতে তারই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা একপ্রকার।

    বৃহস্পতিবার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করেন, বিধায়ক, ক্লাবের চেয়ারম্যান রীতেশ তিওয়ারি। উপস্থিত ছিলেন নতুন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট-লক্ষণ জসওয়াল, দেবল বসু, জয়েন্ট সেক্রেটারি বিশ্বেশ্বর পান্ডে এবং শিল্পী সুশান্ত শিবানী পাল। অল্প সময়ে, স্বল্প পরিসরে, নিজের ভাবনা কীভাবে বাস্তবায়িত করছেন শিল্পী, এদিন বলেন তা। একইসঙ্গে জানান, এবার টালা প্রত্যয়ের পুজোর প্রতিমা নিরঞ্জন মণ্ডপে নয়, হবে গঙ্গায়। সেকথা মাথায় রেখেই প্রতিমা তৈরি করছেন শিল্পী।

    টালা প্রত্যয়ের পুজো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, টিকিট বিক্রির। এদিন এই প্রশ্ন করা হলে যেমন বিষয়টি এড়িয়ে বর্তমান পুজোর বিষয়ে নজর দিতে বলেন, তেমনই শিল্পীর কথায় উঠে আসে ভিন্ন মত। তাঁর মতে, পুজো সাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার আগে, যদি বাইরের মানুষের বিপুল চাহিদার জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়েও থাকে, তাহলেও তা পুজোকে বিক্রি করা হয় না। বরং এই ভাবনায় পুজোকে, বাংলার ঐতিহ্যকে আরও ভাল করে জুড়ে দেওয়া যাবে পর্যটনের সঙ্গে।
  • Link to this news (আজকাল)