আজকাল ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবারই বিধানসভায় পাশ হয়েছে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মী ও শিক্ষক বদলি সংক্রান্ত বিল। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিলের গুরুত্ব বুঝিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা মনে করাচ্ছেন 'অনিলায়ন' থেকে 'মমতায়ন'-এর পর্ব।
এদিন ঋতব্রত ব্যানার্জি বলেন,'নীতিগতভাবে আমরা বদলের বিরোধী নই, কিন্তু আমাদের ভাবনা অন্য জায়গায়। এর যেন অপব্যবহার না হয়, রাজনৈতিকভাবে একে টার্গেটিং টুল হিসেবে ব্যবহার না করা হয়। অনিলায়নের যেমন বিরোধী...।' তারপরেই ছাত্রান্দোলন, সোনারপুর কলেজ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, একেবারে পর্যায়ক্রম তুলে ধরেন তিনি। বলেন, 'কোনও অবস্থায় অধ্যাপনার সুযোগ নেই, আমার সেই অল্প সিনিয়র সহকর্মী ছাত্র আন্দোলনের, হঠাৎ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হয়ে গেলেন।' অভিযোগের তীর অনিল বিশ্বাস, শ্যামলী গুপ্তর দিকে।'শ্যামলী গুপ্ত কন্ট্রোল করতেন পুরো বিষয়টা, কে কোথায় পড়াবেন যাদবপুরে তা নিয়ে।'
বিরাট ম্যান্ডেট নিয়ে জিতে আসা বিজেপি জমানায় অনিলায়ন, মমতায়ন হবে না বলেই আশা তাঁর, সঙ্গেই বলেন, 'কিন্তু গৈরীকিকরণের ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে।'
উল্লেখ্য এদিন বিল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'জুটার সদস্যরা কবে কোথায় কী ভূমিকা নিয়েছিলেন, তার সমস্ত ইতিহাস সরকারের কাছে রয়েছে। এত জ্ঞান, এত আন্তর্জাতিক বুদ্ধি যাদের, তাদের আমরা রাজ্যের নতুন ও পিছিয়ে পড়া দুর্বল বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পাঠাব- যাতে সেই সব কেন্দ্রগুলিও সবল হয়ে ওঠে। আর যাদের এই সরকারি চাকরিতে এত অসুবিধা হচ্ছে, তারা চাকরি ছেড়ে দিন। কাঁধে ঝোলা ব্যাগ ঝুলিয়ে পাকাপাকি হোলটাইমার হয়ে যান এবং নিউ মার্কেটে কৌটো হাতে চাঁদা তুলতে নেমে পড়ুন।'