মুতাহার কামাল, চোপড়া: সমাজসংস্কার, শিক্ষা বিস্তার এবং অনগ্রসর মানুষের আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁর অবদানকে স্মরণ করে শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হল রায়সাহেব ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার তিরোধান দিবস। বুধবার দি গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের চোপড়া ব্লক কমিটির উদ্যোগে সদর চোপড়ায় আয়োজিত হয় স্মরণসভা। পাবলিক হল ঘরের সামনে অবস্থিত ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এরপর স্মরণ করা হয় তাঁর জীবনদর্শন। সমাজ সংস্কারের ভাবনা এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই নিয়ে আলোচনা হয়। সংগঠনের চোপড়া ব্লক সভাপতি সোমনাথ সিংহ বলেন, ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা ছিলেন অনগ্রসর ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার কাণ্ডারী। কুসংস্কার দূরীকরণ, শিক্ষার প্রসার এবং অনগ্রসর শ্রেণির অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়।
সোমনাথ জানান, উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজবংশী ও কামতাপুরী সমাজের নবজাগরণের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা ছিলেন সমাজসংস্কারক ও শিক্ষাব্রতী। শিক্ষা ও সামাজিক সচেতনতার প্রসারের পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
প্রতিবছরের মতো এবারও চোপড়ার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাঁর তিরোধান দিবস পালন করা হয়। এই কর্মসূচিতে সংগঠনের স্থানীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি বহু বাসিন্দা উপস্থিত ছিলেন। চোপড়ায় পালিত হল পঞ্চানন বর্মার তিরোধান দিবস।-নিজস্ব চিত্র