‘সুপ্রিম’ ফরমানে শঙ্কিত ৯০ হাজার শিক্ষক! এসএসসি-পর্ষদের কাছে ‘টেট প্রশ্ন’ স্কুল শিক্ষাদপ্তরের
প্রতিদিন | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০১১ সালের আগে চাকরি পাওয়া কর্মরত শিক্ষকদের টিচার্স এলিজিবিলটি টেস্ট বা টেট কবে নেওয়া যাবে? স্কুল সার্ভিস কমিশন ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছে জানতে চাইল স্কুল শিক্ষাদপ্তর। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে দেশের কর্মরত শিক্ষকদের টেট বাধ্যতামূলক করে সুপ্রিম কোর্ট। ফলে টেট পরীক্ষায় উর্ত্তীণ না হওয়া প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকতা করা রাজ্যের ৯০ হাজার শিক্ষককে পরীক্ষায় বসতে হবে। তাতে চাকরিহারা হওয়ার আশঙ্কায় শঙ্কিত শিক্ষকরা।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে ২০১১ সালের আগে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষকতায় যোগ দেওয়া শিক্ষকদের টেট উর্ত্তীণ হতে হবে। সেই মোতাবেক শুক্রবার রাজ্য স্কুল শিক্ষাদপ্তর এসএসসি ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছে প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চায়।সূত্র মারফত খবর, দ্রুত তা দপ্তরকে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরপরই রাজ্যের শিক্ষামহলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাঁদের অনেকের প্রশ্ন, টেট পাশ করতে না পারলে, কি চাকরিহারা হতে হবে? তবে যে সকল শিক্ষককের চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছর বা তার কম সময় বাকি তাঁদের টেট উর্ত্তীণ না হলেও হবে।
সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পর বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন কেন্দ্রের কাছে অধ্যাদেশ জারি করার আর্জি জানিয়েছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শিক্ষক সংগঠন এই ইস্যুতে ‘সহবস্থানে’ রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এত বছর চাকরি করার পর কেন ‘অগ্নিপরীক্ষা’য় বসতে হবে? উত্তীর্ণ হতে না পারলে চাকরি যাওয়ার যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তা কেন হবে? এই আবহে স্কুল শিক্ষাদপ্তর প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাওয়ায় নতুন করে আলোড়ন পড়েছে শিক্ষকমহলে।
উল্লেখ্য, গত বছরই সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, দেশের প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রে টেট উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। যাঁরা টেট উত্তীর্ণ নন, তাঁদের ২০২৭ সালের মধ্যে তা উত্তীর্ণ হতে হবে। পরে এই সময়সীমা ২০২৮ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।