ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হওয়ার কথা। তার আগেই নয়াদিল্লির সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার বার্তা দিল বেজিং। জানাল, ভারতের সঙ্গে ছোটখাটো মতপার্থক্য হলে তা ‘সামলাবে’ চিন।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ জিনপিংয়ের দিল্লিতে নামার কথা। তার আগে শুক্রবার রাতে ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং সমাজমাধ্যমে মোদী-জিনপিংয়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে। এই নিয়ে পর পর তিন বছর দুই রাষ্ট্রনেতার সাক্ষাৎ হল।’ ভারত ও চিনের সম্পর্ক প্রসঙ্গে চিনা রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘শি জিনপিং ও নরেন্দ্র মোদীর কৌশলগত নির্দেশ মেনে চিন এবং ভারত মিলেমিশে কাজ করবে। দীর্ঘমেয়াদের কথা ভেবেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাব আমরা। দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ এবং সহযোগিতা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।’
২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ানে ভারতীয় সেনা ও চিনা ফৌজের সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকেই দু’দেশের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে। তার পরে ধীরে ধীরে সম্পর্কে শীতলতা কমেছে ঠিকই। কিন্তু নানা কারণে অবিশ্বাস থেকে গিয়েছে বলেই মত আন্তর্জাতিক রাজনীতির কারবারিদের একাংশের। এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে মতপার্থক্য দেখা দিলে তা বেজিং সামাল দেবে বলেও জানিয়েছেন চিনের রাষ্ট্রদূত। তিনি লিখেছেন, ‘মতান্তরের জায়গাগুলি যথাযথ ভাবে আমরা সামাল দেব। এ ভাবেই চিন এবং ভারতের মধ্যে প্রতিবেশীসুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে। একে অপরের সাফল্যে আমরা সহযোগী হয়ে উঠব।’