জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ রুখতে বড়সড় অভিযানে নামল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। সেখানকার অন্তত সাতটি সংবেদনশীল উপত্যকার বেশ কয়েকটি এলাকায় একযোগে ম্যারাথন তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। স্থানীয় পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর সহযোগিতায় কুলগাম, গান্দারবাল এবং বান্দিপোরা-সহ একাধিক এলাকায় চলছে এই তল্লাশি অভিযান। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের জঙ্গি হ্যান্ডলারদের নির্দেশে কাশ্মীরের মাটিতে বড়সড় নাশকতার ছক কষা হচ্ছিল। আর সেই পরিকল্পনায় প্রত্যক্ষ মদত দিচ্ছিল স্থানীয় ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের একটি শক্তিশালী চক্র। NIA-র তদন্তকারী দল গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে বিশেষ অভিযানে নামেন।
অভিযানের তদন্তে নেমে কুলগামের দুটি এলাকা, বান্দিপোরার তিনটি জায়গা এবং সোপোরের দু'টি ঠিকানায় জোরদার তল্লাশি চালায় NIA-র তদন্তকারী দল। এই অভিযানে NIA আধিকারিকদের সাহায্য করেছে স্থানীয় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী।
ঘটনায় শ্রীনগরের জাকুরা থানায় একটি FIR দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে NIA মামলা নিজেদের হাতে তুলে নিয়ে অভিযানে নামে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, ভারত-পাক সীমান্তে অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিদের অস্ত্র, অর্থ ও আশ্রয় দিয়ে সাহায্য করত উপত্যকার ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের গোপন নেটওয়ার্ক। মূলত পাক মদত পুষ্ট জঙ্গি নেতাদের নির্দেশেই এই সমস্ত কাজকর্ম চলত। তবে তল্লাশিতে এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। জারি রয়েছে তল্লাশি অভিযান।
১. কোথায় NIA-র তল্লাশি অভিযান চলছে?
জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগাম, গান্দারবাল, বান্দিপোরা, সোপোর-সহ একাধিক এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলছে।
২. কেন এই তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে NIA?
সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ এবং সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনা রুখতেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে।
৩. পাকিস্তানের সঙ্গে এই মামলার কী যোগ রয়েছে?
তদন্তকারীদের সূত্রের দাবি, পাকিস্তানের জঙ্গি হ্যান্ডলারদের নির্দেশে কাশ্মীরে নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল।
৪. ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?
অভিযোগ, স্থানীয় ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের একটি গোপন নেটওয়ার্ক অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিদের অস্ত্র, অর্থ ও আশ্রয় দিয়ে সাহায্য করত।