জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে সিপিএম ও আইএসএফ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত ভাঙড়। শুক্রবারের ঘটনায় গুরুতর জখম সিপিএম-র পাঁচ কর্মী। তাঁদের সকলকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায়, তাঁদের কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। এ ছাড়াও, জখম হয়েছেন আইএসএফ-র বেশ কয়েকজন কর্মী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভাঙড় থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, পুরোনো একটি জমি সংক্রান্ত বিবাদকে কেন্দ্র করে এ দিন সংঘর্ষ বাধে দুই পক্ষের মধ্যে। ঘটনায় সিপিএম কর্মীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে আইএসএফ-র নেতা-কর্মীরা। তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে সিপিএম কর্মীদের দাবি, তাঁদের উপরে হামলা চালিয়েছে আইএসএফ-র নেতা-কর্মীরা। ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দেওয়া হচ্ছে দাবি দুই পক্ষের।
ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। উভয় পক্ষের তরফেই ভাঙড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আইএসএফ কর্মী সাজিদুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘সিপিএম-তৃণমূল যখন থেকে এই এলাকায় আছে, তখন থেকেই ওই জমিকে নিয়ে বিবাদ চলছে। সিপিএম জোরপূর্বক জমি দখল করেছে। সিপিএম-র কর্মী সমর্থকরা আমাদের মারধর করেছে। আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন।’ অন্যদিকে, সিপিএমের সমর্থক পলাশ বিশ্বাস বলেন, ‘যাঁরা মারধর করেছেন, তাঁরা বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরে আইএসএফ হয়েছেন। ওরা আগে তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’
১. কোথায় সংঘর্ষ হয়েছে?
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে সিপিএম ও আইএসএফ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
২. কী নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে?
পুরোনো জমি সংক্রান্ত বিবাদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩. সংঘর্ষে সিপিএমের কতজন কর্মী জখম হয়েছেন?
সিপিএমের পাঁচ কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন।
৪. আহত সিপিএম কর্মীদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল?
প্রথমে তাঁদের নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তিনজনকে কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
৫. আইএসএফের কর্মীরাও কি জখম হয়েছেন?
হ্যাঁ, ঘটনায় আইএসএফের বেশ কয়েকজন কর্মীও জখম হয়েছেন।