• ভোটের মুখে বড় ধাক্কা কংগ্রেসে, দলের সব পদ ছাড়লেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী
    বর্তমান | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • নয়াদিল্লি, ১২ সেপ্টেম্বর: বহু পুরনো চাকরি দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে আপ্তসহায়কের। ইডির অভিযানে বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বিপুল নগদ, সোনা ও দামী ঘড়ি। স্বভাবতই বেজায় অস্বস্তিতে উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পাঁচবারের সাংসদ হরিশ রাওয়াত। বিতর্ক এড়াতে কংগ্রেসের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তিনি। যদিও তিনি দল ছাড়বেন না বলে সূত্রের খবর। 

    বছর ঘুরলে উত্তরাখণ্ডে বিধানসভা ভোট। উত্তরের এই পাহাড়ি রাজ্যে টানা দু’বারের বিজেপি শাসন উৎখাতের জন্য কোমর বেঁধে নেমেছে কংগ্রেস। রাওয়াতের মতো একজন বর্ষীয়ান নেতার গায়ে ‘দুর্নীতির দাগ’ লাগায় স্বভাবতই অস্বস্তিতে হাত শিবির। এনিয়ে নতুন করে অহেতুক বিতর্ক এড়াতে দলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত বলে  রাওয়াত জানিয়েছেন।

    উত্তরখাণ্ডে ২০১৬ সালে গ্রাম সেবক পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। যার তদন্ত করছে ইডি। টাকার বিনিময়ে অনেককে সাব-অর্ডিনেট সার্ভিস সিলেকশন কমিশনের (ইউকেএসএসএসসি) পরীক্ষায় সুবিধা করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে হরিশ রাওয়াতের আপ্তসহায়ক চন্দন সিং জিনার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল আয় বহির্ভূত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। এর মধ্যে আছে নগদ ৩২ লক্ষ টাকা, ২০০ গ্রামের বেশি সোনার কয়েন ও চেন এবং ১২টি দামী ঘড়ি। রাওয়াত মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন জিনা তাঁর ওএসডি ছিলেন।

    এই ইস্যুতে অভিযুক্তের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাওয়াত। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘টেলিভিশনে খবর দেখানো হচ্ছে যে, দেরাদুনে আমার আপ্তসহায়কের বাসভবন থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও গয়না উদ্ধার করা হয়েছে। এর পিছনের সত্য আগামীদিনে বেরিয়ে আসবে। এটা ঠিক যে, জিনা আমার ওএসডি হিসেবে কাজ করেছেন। সরকার বা দলে যখন কোনো দায়িত্বে থেকেছি, তখন তিনিও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।’
  • Link to this news (বর্তমান)