• বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গোপালবাটি পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন বিজেপির
    বর্তমান | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবার তৃণমূল কংগ্রেসের হাত থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিল বিজেপি। বালুরঘাট ব্লকের গোপালবাটি গ্রাম পঞ্চায়েত এবার বিজেপির দখলে এল। শুক্রবার প্রশাসনের উপস্থিতিতে নতুন প্রধান উপপ্রধান গঠনের জন্য বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সেই বৈঠকে একসঙ্গে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যরা অনুপস্থিত ছিলেন। যার ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিজেপি ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে। বিজেপির তরফ থেকে চটকলের শ্রমিক আদিবাসী মহিলাকে প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। বিজেপির দখলে আসতেই গেরুয়া আবির মেখে উল্লাসে মাতেন দলের কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপির দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক বাপী সরকার বলেন, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই এলাকায় তৃণমূল ভোট চুরি করে জয়ী হয়েছিল। ক্ষমতায় এসে তারা দিনের পর দিন দুর্নীতি করেছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রধান উপপ্রধান সকলেই ইস্তফা দিয়েছিলেন। এদিন বিজেপি সেখানে বোর্ড গঠন করল। পঞ্চায়েত সূত্রে খবর, বালুরঘাট ব্লকের গোপালবাটি গ্রাম পঞ্চায়েতে আসন সংখ্যা ২১। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ১১টি, বিজেপি ৯টি এবং বামেরা ১টি আসন পেয়েছিল। তৃণমূলের একজন সদস্য প্রয়াত হয়েছেন। তাই তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ জন। শুক্রবার বোর্ড গঠনের জন্য বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সকলকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। 

    সকাল ১১টার মধ্যেই বিজেপির ৯ জন সদস্য পঞ্চায়েতে উপস্থিত হলেও দুপুর ১২টা পর্যন্ত তৃণমূল এবং বামেদের কেউ উপস্থিত হননি। যার ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গোপালবাটি গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করে বিজেপি। বোর্ডে প্রধানের আসনটি তপশিল উপজাতি সংরক্ষিত ছিল। তাই ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্যামলী ওরাওঁকে প্রধান করা হয়েছে। তিনি অত্যন্ত গরিব পরিবারের গৃহবধূ। স্বামী কৃষিকাজ করেন। তাই সংসার চালাতে তিনি নিজে একটি চটকলে কাজ করেন। উপপ্রধানের আসনটিও মহিলা সংরক্ষিত ছিল। ওই পদে পম্পা বর্মনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 
  • Link to this news (বর্তমান)