আজকাল ওয়েবডেস্ক: নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করেনি বামফ্রন্ট। তার আগেই নন্দীগ্রামে দেওয়াল লিখন শুরু করে দিল সিপিআই। যদিও দেওয়ালে এখনও কোনও প্রার্থীর নাম লেখা হচ্ছে না।
আর এই ঘটনাকে ঘিরেই বামেদের অন্দরে প্রার্থী নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলেও। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন বামফ্রন্ট সমর্থিত আইএসএফের শবে মিরাজ আলী।
তার আগে সিপিআইয়ের পক্ষ থেকে শান্তি গিরির নাম ঘোষণা করা হয়েছিল এবং তিনি প্রচারও শুরু করেছিলেন। পরে আসনটি আইএসএফকে ছেড়ে দেওয়ায় সিপিআইয়ের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়।
তবে সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সিপিআই নন্দীগ্রামে এককভাবে প্রচার চালিয়ে যায়। ভোটের ফলাফলে সিপিআইয়ের প্রার্থী আইএসএফ প্রার্থীর থেকেও বেশি ভোট পান বলে দাবি দলীয় নেতৃত্বের।
এই পরিস্থিতিতে এবার উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণার আগেই নন্দীগ্রামে সিপিআইয়ের দেওয়াল লিখন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তবে কি এবার নন্দীগ্রাম আসনটি বামফ্রন্টের কাছে জোরালোভাবে দাবি করতে চলেছে সিপিআই?
সিপিআই নেতা গৌতম পন্ডার দাবি, নন্দীগ্রামে তেভাগা আন্দোলন থেকে খাজনা আন্দোলন, একাধিক ঐতিহাসিক আন্দোলনে সিপিআই অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। নন্দীগ্রাম সিপিআইয়ের দীর্ঘদিনের শক্ত ঘাঁটি।
এর আগে একাধিকবার নন্দীগ্রাম বিধানসভায় জয়লাভ করেছে সিপিআইয়ের। সে কারণে এবার এই আসনে সিপিআই প্রার্থী দেওয়ার দাবি জোরালো করা হচ্ছে।
অন্যদিকে সিপিআইএম নেতা হিমাংশু দাসের বক্তব্য, বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে যতক্ষণ পর্যন্ত প্রার্থী নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হচ্ছে, ততক্ষণ কোনও ঘোষণা করা হবে না। তবে কেউ উৎসাহিত হয়ে দেওয়াল লিখন করলে তাতে আপত্তি নেই।
প্রার্থী ঘোষণা না হলেও বামেরা প্রচারে রয়েছে বলেও জানান তিনি। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বামফ্রন্টের প্রার্থী কে হবেন, আর শেষ পর্যন্ত সিপিআইয়ের দাবি কতটা মান্যতা পাবে—তা নিয়ে এখন থেকেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা।