• এবার সরাসরি ‘নীতুদা’র নাম নিয়ে আক্রমণ! ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের জন্যও বিস্ফোরক বার্তা অস্কারের
    প্রতিদিন | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • এবার আর কোনও রাখঢাক নয়। সরাসরি ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের নাম নিয়ে আক্রমণ প্রাক্তন কোচ অস্কার ব্রুজোর। এর আগে ‘মাস্টারে’র নাম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে শোরগোল ফেলে দেন অস্কার। এবার খোদ দেবব্রত সরকারের নাম নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ। তাঁর নামে কুপ্রচারের প্রতিবাদ থেকে ক্লাবের গঠনতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলে লাল-হলুদ সমর্থকদের জবাবদিহি দাবি করতে বলেছেন। পাশাপাশি কেন তিনি সোশাল মিডিয়ায় অভিযোগের পথ নিয়েছেন, সেটাও জানিয়েছেন।

    ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের খোলা চিঠি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, ক্লাবের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে তিনি শ্রদ্ধা করেন। কিন্তু তিনি দেখেছেন, ক্লাব ছাড়ার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে সোশাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বিষয়টা তাঁর বর্তমান ইন্দোনেশিয়ার ক্লাব ভয়ংকরা এফসি পর্যন্ত পৌঁছেছে। তাঁর পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে তিনি মুখ খুলেছেন।

    এরপরই তিনি ‘নীতুদা’র নাম নেন। উল্লেখ্য, দেবব্রত সরকারকে কলকাতা ময়দান ‘নীতুদা’ বলেই চেনে। অস্কারের অভিযোগ, তাঁর নাম নিয়ে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে সুপরিকল্পিতভাবে বেনামি আক্রমণ চালানো হচ্ছে। এবং এর নেপথ্যে নাকি ‘নীতুদা’র নিজস্ব রাজনীতি জড়িয়ে। তাই এই আক্রমণ ও উসকানির জন্য ‘নীতুদা’কেই দায়ী করছেন অস্কার। তাই ‘নীতুদা’ ও ক্লাবের উচিত এই আক্রমণের দায় অস্বীকার করা ও পদক্ষেপ নেওয়া। অস্কার কেন ক্লাব ছাড়লেন, সেটার জন্যও এই ব্যবস্থাকে দায়ী করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপ ও স্বার্থান্বেষী লোকেদের মধ্যে পেশাদারভাবে চলা সম্ভব নয়।

    এই অবস্থায় ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের কী করা উচিত, সেই বার্তাও দিয়েছেন। অস্কারের বক্তব্য, সমর্থকদের উচিত ‘নীতুদা’র কাছে জবাব চাওয়া। এই ঝামেলা বজায় রেখে কার লাভ হচ্ছে? কেন ক্লাব ছাড়ার পরই তাঁকে ‘শত্রু’ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে? সমর্থকদের উচিত, ক্লাবকর্তাদের থেকে সমস্ত তথ্য দাবি করা ও এই আভ্যন্তরীণ রাজনীতি বন্ধের দাবি জানানো। কারণ এরকম চলতে থাকলে ইস্টবেঙ্গল আবার অন্ধকারে চলে যাবে।

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি আইএসএল জয়ী কোচ অভিযোগ আনেন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের এক ‘মাস্টার’ নাকি আইএসএলে শেষ ম্যাচের আগে বলে গিয়েছিলেন, রেফারি তাঁদের পক্ষে আছেন। যদিও তাঁরা লড়াই করে জিতেছেন। এর জবাবে দেবব্রত সরকার বলেছিলেন, “উনি আমাদের আইএসএল দিয়েছেন। উনি আমাদের নয়নের মণি। আমরা সবাই ওকে হৃদয়ে রাখব। উনি কী বললেন, সেটা নিয়ে আমাদের কোনও বক্তব্য নেই। অস্কার ব্রুজো জিন্দাবাদ।” তবে অস্কার থামার নাম নিচ্ছেন না।
  • Link to this news (প্রতিদিন)