• কৌশিকী অমাবস্যা কাটতেই গর্ভগৃহ থেকে সরছেন মা তারা, তারাপীঠে দেবীর নয়া ঠিকানা কী?
    প্রতিদিন | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • কেটেছে কৌশিকী অমাবস্যার ব্যস্ততা। এবার তারাপীঠ মন্দিরে শুরু হতে চলেছে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সংস্কারের কাজ। আর সেই সংস্কার পর্বে সাময়িকভাবে গর্ভগৃহ ছাড়বেন মা তারা। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার পর মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে মা তারার বিগ্রহকে মন্দির চত্বরের মধ্যেই অবস্থিত শিবমন্দিরে নিয়ে যাওয়া হবে। সংস্কারের কাজ চলাকালীন প্রায় এক মাস সেখানেই অধিষ্ঠান করবেন মা তারা। শিবমন্দির থেকেই নিয়মিত পুজো, আরতি, ভোগ নিবেদন এবং ভক্তদের দর্শনের ব্যবস্থা থাকবে।

    মন্দির কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, কৌশিকী অমাবস্যার পরেই সংস্কারের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা আগে থেকেই নেওয়া হয়েছিল। তবে অমাবস্যার পর শনিবার ও রবিবার ছুটি থাকায় তারাপীঠে সাধারণ দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে। সেই বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে মা তারাকে গর্ভগৃহ থেকে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে অমাবস্যা উপলক্ষে আসা ভক্তদের দর্শনের ক্ষেত্রে যাতে বড় ধরনের সমস্যা না হয়, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের কৌশিকী অমাবস্যার তিথি শুরু হয়েছিল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ১১ মিনিটে। সংস্কারের পরিকল্পনায় মন্দিরের ভিতরের পাশাপাশি বাইরের অংশেও প্রয়োজনীয় কাজ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এর জন্য বিশেষজ্ঞ প্রযুক্তিবিদদের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। তাঁদের দেওয়া পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত নির্দেশনা মেনেই সংস্কারের বিভিন্ন কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

    সংস্কারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল দর্শনার্থীদের দর্শনব্যবস্থা আরও সুবিধাজনক করা। বর্তমানে মন্দিরের সামনের নাটমন্দির থেকে যাতে ভক্তরা অপেক্ষাকৃত ভালোভাবে মা তারাকে দর্শন করতে পারেন, তার জন্য মন্দিরের সামনের দরজা প্রায় এক ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নাটমন্দির থেকে দেবীর দর্শন আরও স্পষ্ট করার লক্ষ্যে মা তারার মূল বেদিও প্রায় আট ইঞ্চি উঁচু করা হবে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানান, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কৌশিকী অমাবস্যার পরেই সংস্কারের কাজ শুরু করা হচ্ছে। প্রযুক্তিবিদদের পরামর্শ নিয়েই মন্দিরের ভিতর ও বাইরের সংস্কার করা হবে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)