• ঝাড়খণ্ডের ব্যবসায়ী খুনে চাঞ্চল্যকর মোড়! লোকেশনের তথ্য দিতেন কলকাতার ট্রাফিক সার্জেন্ট
    প্রতিদিন | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ঝাড়খণ্ডের ব্যবসায়ী নিখিল সবলোক খুনের (Jharkhand Businessman Death) তদন্তে চাঞ্চল্যকর মোড়! ধৃত কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক সার্জেন্ট অয়ন গুপ্ত, এই খুনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ রাঘবকে ব্যবসায়ীর মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন দিতেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। একই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে রাঘবের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত সিভিক ভলান্টিয়ার টুইঙ্কল দাসকেও।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ট্রাফিক সার্জেন্ট অয়ন বেলিয়াঘাটা ট্রাফিক গার্ডে কর্মরত ছিলেন। অন্যদিকে, চাউলপট্টি রোড এলাকার বাসিন্দা টুইঙ্কল কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। তদন্তকারীদের দাবি, এই টুইঙ্কলের অনুরোধেই একাধিকবার নিখিলের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন বের করে দিয়েছিলেন অয়ন। সেই তথ্যই পরে রাঘবের কাছে পৌঁছে যেত বলে অভিযোগ। সেই লোকাশেন ব্যবহার করে খুনের ছক! বৃহস্পতিবার দু’জনকেই লালবাজারে ডেকে পাঠায় ঝাড়খণ্ড পুলিশের দল। ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁদের। সূত্রের খবর, জেরার গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিয়োগ্রাফিও করা হয়। এরপর দু’জনের গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়।

    উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট চাণ্ডিল থানার এলাকায় জাতীয় সড়ক-৩৩-এর ধারে একটি হোটেলের সামনে গুলিতে খুন হন ব্যবসায়ী নিখিল। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁকে লক্ষ্য করে প্রায় ন’রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। কাঁধ, পিঠ ও ঘাড়ে গুলি লাগে তাঁর। আশঙ্কাজনক অবস্থায় জামশেদপুরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রথমে ব্যবসায়িক শত্রুতার তত্ত্ব সামনে এলেও তদন্ত যত এগোয়, ততই উঠে আসে সুপারি দিয়ে খুনের অভিযোগ। শুটারদের প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল বলে পুলিশের অনুমান। এবার তদন্তকারীদের নজরে মোবাইলের ‘লোকেশন’পাচারের চক্র। খুনের আগে নিখিলের গতিবিধির উপর নজর রাখতে ওই তথ্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, রাঘবের হাতে তা কীভাবে পৌঁছল—তা খতিয়ে দেখছে বিশেষ তদন্তকারী দল।
  • Link to this news (প্রতিদিন)