তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ও দলের স্বত্ব নিয়ে অন্তর্বর্তিকালীন নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পরে এমনটাই মনে করছেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা। তবে দলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কমিশন অন্তর্বর্তিকালীন আদেশ দিলেও তাঁরা আইনি পথে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখছেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়— কোন গোষ্ঠী আসল তৃণমূল কংগ্রেসের দাবিদার, তা নির্ধারণের আগে দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার জন্য উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের শনিবার তলব করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই মতো সকাল ১১টা নাগাদ কমিশনের দ্বারকা অঞ্চলের ভবনে যায় ঋতব্রতদের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল। তার পরে কমিশনের সঙ্গে কালীঘাটপন্থীদের বৈঠক হয়।
পরে কল্যাণ জানান, প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে বৈঠক হয়েছে। কমিশন যা প্রশ্ন করেছে, তাঁরা সব প্রশ্নের জবাবও দিয়েছেন। তার পরেই অন্তর্বর্তী নির্দেশের আশঙ্কা প্রকাশ করেন তৃণমূল সাংসদ। বলেন, ‘আভাস পাওয়া গিয়েছে, হয়তো নির্বাচন কমিশনের তরফে একটা অন্তবর্তী নির্দেশ দেওয়া হবে। যদি তা করা হয়, তার বিরোধিতা করব আমরা।’
এর আগে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক সেরে কল্যাণকে বিঁধেছিলেন ঋতব্রত। তৃণমূল জমানায় রাজ্যের আইনজীবী হিসেবে সরকারের থেকে কত টাকা নিয়েছিলেন সাংসদ, তা মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে জানতে চাইবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তার প্রেক্ষিতে কল্যাণ বলেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচনে লড়লেন কেন? সিপিএম থেকে এসে কেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হতে হলো? আমি পরিশ্রম করে টাকা রোজগার করেছি। মামলায় লড়াই করে ফি নিয়েছি, এটা অন্যায় নয়। আমি ট্যাক্সও দিয়েছি, এটা আমার পেশা।’ কল্যাণ জানান, আসন্ন উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম আর রেজিনগর দুই বিধানসভা কেন্দ্রেই প্রার্থী দেবে তৃণমূল।