মেঝেতে সারি দিয়ে বসে আছে পড়ুয়ারা, তাদের সামনে থালায় মিড-ডে মিলের খাবার— সরকারি স্কুলের চেনা ছবি এটাই। কিন্তু সেই চেনা ছবিকে বদলে দিয়ে নজির গড়ল হাওড়া কদমতলার ব্যাঁটরা মধুসূদন পাল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়। এই স্কুলের ডাইনিং হল এখন সেজে উঠেছে ঝাঁ চকচকে নতুন রূপে। প্রাক্তনীদের উদ্যোগে স্কুলের ডাইনিং হল সেজে উঠেছে একেবারে নতুন রূপে।
ডাইনিং হলের ভিতরে পা রাখলেই জুড়িয়ে যায় চোখ। চকচকে মেঝে, সারি সারি দিয়ে বসানো পাথরের ডাইনিং টেবিল এবং খাবার পরিবেশনের সুব্যবস্থা। প্রথম দেখায় যে কারও মনে হতে পারে এটি কোনও অভিজাত রেস্তোরাঁর খাবারের ঘর। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এই পরিবর্তনের পিছনে রয়েছে স্কুলের প্রাক্তনী এবং অভিভাবকদের নিঃস্বার্থ প্রয়াস। তাঁদের যৌথ উদ্যোগেই স্কুলের পুরোনো মিড-ডে মিলের হল সেজে উঠেছে নতুন রূপে।স্কুলের এমন সাজানো-গোছানো পরিবেশে বসে দুপুরের খাবার খেতে পেরে পড়ুয়ারাও বেশ আনন্দিত।
১৮৮৬ সালে ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই স্কুল হাওড়া শহরের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯১৮ সালের কলকাতা গেজেটেও এই স্কুলের নাম উল্লেখ রয়েছে। প্রায় ১৩০ বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস ধারণ করেও এই স্কুল যে ভাবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
পড়ুয়াদের একাংশ জানিয়েছে, তারা সকলে খুব খুশি স্কুলে এমন ব্যবস্থা হওয়ায়। খাবারের স্বাদও আগের থেকে ভালো। তবে টেবিলের পাশাপাশি বসার ব্যবস্থার আবদার জানিয়েছে পড়ুয়াদের একাংশ। স্কুলের প্রধান শিক্ষক তন্ময় চক্রবর্তী বলেন, ‘প্রাক্তনী, অভিভাবক ও বর্তমান পড়ুয়াদের পাশে থাকার ফলেই এমন সুন্দর কাজ করা সম্ভব হয়েছে।’
১. প্রশ্ন: কোন স্কুলের ডাইনিং হল নতুন রূপে সাজানো হয়েছে?
উত্তর: হাওড়ার কদমতলার ব্যাঁটরা মধুসূদন পাল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ডাইনিং হল নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।
২. প্রশ্ন: ডাইনিং হলটিতে কী কী নতুন ব্যবস্থা করা হয়েছে?
উত্তর: চকচকে মেঝে, সারি সারি পাথরের ডাইনিং টেবিল এবং খাবার পরিবেশনের সুব্যবস্থা করা হয়েছে।
৩. প্রশ্ন: কারা ডাইনিং হলের এই পরিবর্তনে উদ্যোগ নিয়েছেন?
উত্তর: স্কুলের প্রাক্তনী ও অভিভাবকদের যৌথ উদ্যোগে ডাইনিং হলের পরিবর্তন হয়েছে।
৪. প্রশ্ন: নতুন ডাইনিং হল নিয়ে পড়ুয়ারা কী বলেছে?
উত্তর: পড়ুয়ারা জানিয়েছে, নতুন পরিবেশে বসে দুপুরের খাবার খেতে তারা খুবই খুশি।