কৌশি অমাবস্যায় দেদার চুরি-ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছিল তারাপীঠে। ২৪ ঘণ্টায় তারাপীঠ থানায় প্রায় দেড়শো অভিযোগ জমা পড়ে। সেই ঘটনায় দুই গ্যাং-এর ১৫ জন সদস্য গ্রেপ্তার। ধৃত ১৫ জনের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে চুরি হওয়া সোনা, মানিব্যাগ এবং মোবাইল।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কৌশি অমাবস্যায় ১১ তারিখ পর্যন্ত সর্বমোট আটক করা হয়েছিল ৬৪ জনকে। তাদের মধ্যে বিভিন্ন অভিযোগে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ১৫ জনের মধ্যে রয়েছে হুগলি এবং ব্যান্ডেল গ্যাঙের সদস্যরাও। এদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৮ জনের ছিনতাই হওয়া সোনার গয়না, ২৫টি হারানো ও চুরি যাওয়া মোবাইল এবং ১৪টি চুরি যাওয়া মানিব্যাগ।
এ বছর কৌশি অমাবস্যায় যে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তারাপীঠে মোতায়েন করা হয়েছিল ৪ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মীকে। ৩০০-র বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। তার মধ্যে ছিল ফেস রেকগনিশন ক্যামেরাও।
এছাড়াও কৌশি অমাবস্যায় তারাপীঠ এসে নিখোঁজ হয়েছিলেন ১০ জন। তাদেরকেও খুঁজে বার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভিড়ের কারণে তিনজন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁদেরকে পুলিশ উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে সকলেই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।