ব্রিকসের মধ্যাহ্নে মহাভোজের আয়োজন! নিরামিষ ভারতীয় পদে বিশ্বনেতাদের রসনাতৃপ্তি
প্রতিদিন | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বঙ্গে পালাবদলের পর ‘ডিম থেরাপি’ দেখেছে রাজ্যবাসী। স্কুলে স্কুলে ইসকনের খাদ্য সরবরাহ করবে ঘোষণা হতেই, ডিম নিয়ে ‘গেল গেল রব’ তুলেছিল একপক্ষ। এবার ঠিক পুজোর মুখে বাগেশ্বর বাবার ‘পাখণ্ডী’ শব্দকে কেন্দ্র করে আমিষ-বিতর্ক হইচই ফেলে দিয়েছে। প্রশ্নোত্তরের দোলাচলের মধ্যেই এবার গোটা রাজ্য তথা দেশের নজর রাজধানীতে আয়োজিত ব্রিকস সম্মলনে। মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে আগাগোড়া দেশীয় পদে বিশ্বনেতাদের থালা সাজিয়ে দিল ভারত।
ব্রিকস সম্মলনের প্রথম দিনের মধ্যাহ্নভোজের মেনু জুড়ে ছিল নিরামিষের রকমারি পদ। পনির লাবাবদার থেকে দম আলু বানারসি, প্রথম দিনেই নিরামিষ লাঞ্চে বিশ্বনেতাদের রসনাতৃপ্তির আয়োজন করা হয়েছে বিশ্বের শীর্ষ সম্মেলনে। মধ্যাহ্ন ভোজের মেন কোর্সে ছিল – পনির লাবাবদার, রাজমা রাসিলা, ডাল পঞ্চমেল, সব্জ মতিয়া পোলাও, মকই লসুনি পালক, দম আলু বানারসি। শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম দিনেই বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ও অতিথিদের পাতে পড়ল ভারতের ঐতিহ্যবাহী নিরামিষ পদের সুস্বাদু সমাহার।
দেশীয় পদে পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ছোঁয়াও রাখা হয়েছিল বিদেশি ভিভিআইপিদের জন্য। মেনুতে রাখা হয়েছিল- ইতালির ‘পেনে অল পোমোদোরো এ পান্না’, সাইট্রাস পার্সলে ড্রেসিংয়ে ম্যারিনেট করা ‘পার্ল মিলেট’, ফরাসি কায়দায় তৈরি ‘বেকড ভেজ ও গ্র্যাঁতা’, হারিকোট বিন্স ও চার্ড পেপারের সালাড। এই নাম বা পদের সঙ্গে ভারতীয়রা সচারচর পরিচিত না থাকলেও বিদেশি ভিভিআইপিদের পছন্দ এবং স্বচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে এই সমস্ত মেনুতে সাজানো হয়েছিল ব্রিকসের মধ্যাহ্নভোজ। ভারতের প্রতিটি প্রান্তের রন্ধনশৈলী ও বৈচিত্র্যকে বিদেশি ভিভিআইপি অতিথিদের সামনে তুলে ধরাই ছিল এই ভোজের মূল উদ্দেশ্য। বিশেষত, ভারতীয় পদগুলির বাছাই এবং তা বিশ্বনেতাদের সামনে পরিবেশন করে ভারতের রন্ধন ঐতিহ্যকেই ব্রিকসের লাঞ্চ টেবিলে শো-কেস করার এক দুর্দান্ত প্রয়াস বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।