• টার্গেট নন্দীগ্রামে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোট! প্রথম প্রার্থী ঘোষণা করে প্রচারে কংগ্রেস
    প্রতিদিন | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • তৃণমূল ভেঙে খানখান। কাড়াকাড়ি চলছে ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে। একই অবস্থা তাদের ভোটেরও। প্রতীক নিয়ে বিতর্ক চলছে। এই পরিস্থিতিতে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের ভোটে ভাগ বসানোর লক্ষ্যে সবার প্রথম প্রার্থী দিয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। দলীয় সূত্রের খবর, ঘোষণার এক মাস আগে থেকেই তারা প্রার্থী চূড়ান্ত করে রেখেছিল। সেই সময় থেকেই এলাকায় গিয়ে দলের রাজ‌্য পর্যবেক্ষক প্রকাশ যোশী ও প্রদেশ সভাপতি নন্দীগ্রামে গিয়ে এলাকায় পরপর কর্মী বৈঠক করে এসেছেন। ভোট ঘোষণা হতেই সেখানে প্রার্থী হিসাবে মিলন প্রধানের নামও ঘোষণা করে দেয় কংগ্রেস।

    নন্দীগ্রাম জিতেও সেই আসন ছেড়ে দিয়েছেন মুখ‌্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রচারে সেই ইস্যুকে সামনে রাখছে কংগ্রেস। মিলন নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ার বাসিন্দা নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পুরনো মুখ। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব‌্য, নন্দীগ্রাম আন্দোলন প্রথম শুরু হয়েছিল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির নেতৃত্বে। সেই থেকে সবুজ আর মিলন সোনাচূড়ায় আন্দোলনের মুখ হয়ে ওঠে। তৈরি হয় কৃষিজমি রক্ষা কমিটি। কর্মসূত্রে বর্তমানে মিলনের কলকাতায় যাতায়াত বেশি থাকলেও এখনও মাটির সঙ্গে জুড়ে তিনি। সোনাচূড়া নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লকের অন্তর্গত। এই এলাকায় তৃণমূলের সংগঠন যা ছিল, তার থেকেও অনেক বড় ভিত বিজেপির। এই এলাকায় ভোটের ৬৫ শতাংশই পেয়েছে বিজেপি।

    কংগ্রেসের এক রাজ‌্য নেতার বক্তব‌্য, “বর্তমান মুখ‌্যমন্ত্রী এই শুভেন্দু অধিকারীকে সামনে রেখে সেই সময় নন্দীগ্রাম আন্দোলন হাইজ‌্যাক করেছিলেন তৎকালীন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় জমি রক্ষা আন্দোলনের মুখ মিলনকে তাই প্রার্থী করা হয়েছে।” প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার শনিবার বলেছেন, “যে নন্দীগ্রাম শুভেন্দু অধিকারীকে বিরোধী দলনেতা করল, মুখ‌্যমন্ত্রী বানালো, সেই নন্দীগ্রাম আসন কেন ছেড়ে দিলেন মুখ‌্যমন্ত্রী? আমরা নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে থেকে তাঁদের হয়ে লড়াই করতে চাই।” গত বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে চতুর্থ হয়েছিল কংগ্রেস। এবার সেই আসেই প্রথম প্রার্থী ঘোষণা করে লড়াইয়ের ময়দানে নামল প্রদেশ নেতৃত্ব।
  • Link to this news (প্রতিদিন)