মুনাফা বেড়ে দ্বিগুণ, পাট চাষিদের ঘরে ঘরে এখন 'পৌষমাস'! নয়া 'এই' বিজনেস মডেলে খুলে যাচ্ছে ভাগ্যের দরজা
News18 বাংলা | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মুর্শিদাবাদ, কৌশিক অধিকারী: মুর্শিদাবাদ জেলার অন্যতম অর্থকারী ফসল হল পাটচাষ। বর্তমানে পাট চাষিরা নির্ধারণ করছে পাটের দাম। আলু, পটল, সবজির মতোই পাটের হাট মুর্শিদাবাদে বসেছে। পাটের মরশুমে কালোবাজারি ও কৃত্রিম মজুতদারি রুখতে এলাকার চাষিরাই আয়োজন করছেন পাটের হাটের। সাধারণ পাটচাষিরা যাতে তাঁদের উৎপাদিত পাটের ন্যায্য মূল্য পান, সেই লক্ষ্যেই মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার পাট চাষি ও ব্যাবসায়ীরা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে পাটের খোলা হাটের আয়োজন করছেন।
সেখানে চাষিরা তাঁদের উৎপাদিত পাটের দাম নির্ধারণ করছেন, ব্যাবসায়ী ও আড়ৎদারেরা চাষিদের নির্ধারিত দাম ও বাজার মূল্যের সঙ্গে মিলিয়ে তা কিনছেন। জানা গিয়েছে, সোমবার বাদে প্রতিদিন বিকেলে হরিহরপাড়ার গজনীপুরে এই হাট বসছে। এখানে চাষিরা একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে দরদাম করে পাট বিক্রি করতে পারছেন। যে কোনও পাটচাষি ও ব্যবসায়ী এই হাটে পাট বিক্রি বা কিনতে পারবেন বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
ফলে প্রতিযোগিতামূলক দামে পাট বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন চাষিরা। উদ্যোক্তাদের আশা, এই উদ্যোগের ফলে পাটচাষিরা তাঁদের উৎপাদিত ফসলের উপযুক্ত দাম পাবেন এবং পাট বিক্রির ক্ষেত্রে দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমবে। চাষিদের কথায়, গ্রীষ্মের শেষ ভাগে রোপণ করা পাট বর্ষায় বেড়ে উঠেছে, বর্ষার মরশুমে কাটা পড়ছে। এভাবে ঋতুর ছোঁয়ায় কৃষকের ঘরে আসছে সোনালী আঁশ। চাষাবাদ শেষে পরিপক্ব পাট কেটে সপ্তাহ দুয়েক সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করে সেই প্রক্রিয়ায় রেখে পাটখড়ি ও আঁশ আলাদা করার ভরা মৌসুম চলছে।