পুজোয় খারাপ খাবার পেলেই সরাসরি অভিযোগ, টোল ফ্রি নম্বর চালু হুগলি জেলা প্রশাসনের
প্রতিদিন | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পুজোয় খারাপ খাবার বিক্রি করলেই শাস্তির মুখে পড়তে হবে। এই বিষয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল হুগলি জেলা প্রশাসন। খাবারের সুরক্ষায় হেল্পলাইন নম্বর চালু করল জেলা প্রশাসন। কোনও হোটেল, রেস্তরাঁয় খারাপ, নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করলে ওই নম্বরে অভিযোগ জানাতে পারবেন উপভোক্তা থেকে সাধারণ মানুষ। শুধু ফোনেই নয়, ইমেলের মাধ্যমেও এই বিষয়ে অভিযোগ জানানো হবে।
কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযান চলেছে সম্প্রতি। বহু জায়গায় পচা মাছ-মাংস থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলা পাওয়া গিয়েছে! কোথাও বিরিয়ানিতে মেশানো হত দোলের রং! আবার কোথাও মিষ্টির দোকানে খারাপ ফুড কালার, বাজে ছানা ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে। কলকাতার নামী রেস্তরাঁ, মিষ্টির দোকানেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, কলকাতার ৬৫টি দোকানের লাইসেন্স আপাতত বাতিল হয়েছে।
হুগলির জেলার একাধিক জায়গাতেও অভিযান চলেছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, জেলায় ২৭০টি জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে।তার মধ্যে ২৫১টি জায়গায় বিধি না মানার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে, যা ৯২.৯৬ শতাংশ। ১৯টি ইউনিটের ব্যবসা বন্ধ করা হয়েছে। এই বিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন হুগলির জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি। তিনি বলেন, “তিনজনের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। ১৩ লক্ষ ৮২ হাজার টাকার খাদ্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৪৩৮ টাকার খাবার নষ্ট করা হয়েছে।”
পুজোর সময় বহু মানুষ বাইরে খাওয়াদাওয়া করেন। খাবারের মান যাতে ভালো রাখা হয়, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে। সেজন্যই এবার অভিযোগ জানানোর জন্য হেল্পলাইন চালু হল। ওই নম্বরটি হল ১৮০০১১২১০০। এই নম্বরে ২৪ ঘণ্টা অভিযোগ জানানো হবে বলে খবর। এছাড়াও [email protected] এই ইমেল আইডি-তে অভিযোগ জানানো যাবে। জেলাশাসক আরও বলেন, “খাদ্য সুরক্ষা অভিযান আগামী দিনেও চলবে। পুজোর সময় অনেক খাবার স্টল হয়। তারা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মানে, সেটা দেখার পাশাপাশি খারাপ খাবার বিক্রি হলে সেজন্য অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারন মানুষ।”