রাজনৈতিক নেতারা পুজোর উদ্বোধন করবেন। গত তৃণমূল সরকারের আমল থেকে তেমনই দস্তুর হয়ে গিয়েছে। রাজ্যে পালাবদলের পর এবার প্রথম দুর্গাপুজো। আগামী কাল, সোমবার গণেশপুজোর আয়োজনও হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বার্তা দিয়েছেন, রাজনৈতিক নেতাদের নয়, পুজোর উদ্বোধনে গুণীজনদের ডাকতে। সেই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, “আমি তো কোনও নেতাদের পুজোতেও যাচ্ছি না।”
এদিন ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছিলেন দিলীপ। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। তৃণমূল আমলে নেতাদের নামে দুর্গাপুজো পরিচিত ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বটেই, একাধিক মন্ত্রী, জেলা তৃণমূলের নেতারাও পুজোর উদ্বোধন করতেন। বিজেপি সরকার পুজোকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার বার্তা দিয়েছে। বাংলার দুর্গাপুজোকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে বর্তমান শুভেন্দু অধিকারীর সরকার।
তিনি কোনও রাজনৈতিক নেতাদের পুজোতে যাচ্ছেন না। এই কথা বলে, কাদের হাত দিয়ে পুজোর উদ্বোধন হতে পারে? সেই বার্তাও দিয়েছেন। দিলীপের কথায়, বিভিন্ন লোক আছেন, যারা পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন তাঁদের ডাকা উচিত। আগের সরকারও অনেক বিশিষ্টদের সম্মানিত করেছেন। তাঁদের যদি সব ঠিকঠাক থাকে, রাজনৈতিক আনুগত্য ছাড়া সেসব ব্যক্তিদেরও ডাকা হতে পারে। সাধুসন্তদের ডাকা যেতে পারে। এছাড়াও বহু সাধারণ মানুষ গ্রামেগঞ্জে ভালো ভালো কাজ করছেন। তাঁদের লাইমলাইটে আনা উচিত। তাঁরাই সমাজে উদাহরণ হবেন সমাজে।” দিলীপ আরও জানিয়েছেন, পুজোতে ক্রীড়াবিদদেরও আমন্ত্রণ জানানো উচিত। রাজনীতিতে যাঁদের ভালো ইমেজ আছে, তাঁদেরও ডাকা যেতে পারে।