অগস্টের মাঝামাঝি ফিরেছিলেন সিতাইয়ের বাড়িতে। সেবারেও স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল। রবিবার ফের সিতাইয়ে নিজেদের বাড়িতে এসেছিলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া ও সিতাইয়ের বিধায়ক সঙ্গীতা রায়। সেই খবর চাউর হতেই এ দিন স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখান। সিতাইয়ের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক দলীয় কার্যালয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।
রাজ্যে পালাবদলের পরেই সিতাইয়ে নিজের বাড়ি ছেড়েছিলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া এবং তাঁর স্ত্রী সিতাইয়ের বিধায়ক সঙ্গীতা রায়। জনরোষের ভয়ে দীর্ঘদিন বাড়ি ফেরেননি। গত ২৩ জুন জগদীশ কোচবিহারে আসেন। যদিও সে বার আর সিতাইয়ে যাননি সাংসদ। ১৫ জুলাই প্রশাসনিক বৈঠকে দেখা যায় স্বামী-স্ত্রীকে। সে বারও বেশ কয়েকদিন কোচবিহার থাকলেও সিতাইয়ে যাননি। গত ১২ অগস্ট রাত প্রায় ১০টা নাগাদ সস্ত্রীক বাড়িতে যান জগদীশ। সে দিন রাতেও সাংসদের বাড়ির সামনে উত্তেজক পরিস্থিতি তৈরি হয়।
যদিও এ দিনের ঘটনা নিয়ে জগদীশ বলেন, ‘যাঁরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তাঁরা এখনও মনে করছে আমি তৃণমূল কংগ্রেসে রয়েছি। তাঁরা জানেন না, এখন আমি এনসিপিআইতে আছি। কেন্দ্রীয় সরকার ও NDA-এর জোট শরিক হিসেবে আছি।’ আসার পরে প্রচুর মানুষের আটকে থাকা কাজও করেছেন বলে জানান সাংসদ।
রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ বাড়িতে ফেরেন জগদীশ। সিতাইয়ে তাঁর বসভবন জুড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তা। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সিতাই বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তৃণমূলের পার্টি অফিসে আগুন লাগানো হয় বলেও অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।