• দুর্গন্ধে টেকা দায়! বাড়ির জানলায় উঁকি দিতেই হাড়হিম দৃশ্য গয়েশপুরে
    প্রতিদিন | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • বাড়িতে থাকা তিন সদস্যের প্রত্যেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন। সেই বাড়ি থেকেই এক ব্যক্তির পচাগলা দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। বেশ কয়েকদিন ধরেই ওই বাড়িটি থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। বাড়ির জানলায় উঁকি দিতে দেখা যায়, মেঝেতে পড়ে রয়েছে ওই ব্যক্তির পচাগলা দেহ। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

    মৃতের নাম নারায়ণ চক্রবর্তী। বাড়িতে তিন জন সদস্য থাকেন। জানা গিয়েছে, তাঁরা প্রত্যেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন। সেই কারণে পাড়ার অন্যান্য বাসিন্দাদের সঙ্গে এই পরিবারের তেমন মেলামেশা ছিল না। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরে নারায়ণ চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। এই বিষয়ে প্রথম সন্দেহ হয় সামাজিক সংগঠনের এক সদস্যের। ওই সংগঠনের সদস্যরা নিয়মিত ওই বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিতেন। সম্প্রতি খাবার নিতে পরিবারের কেউ বাইরে না আসায় সন্দেহ তৈরি হয়।

    এরপর ওই ব্যক্তি বাড়ির জানলা দিয়ে উঁকি দিতেই ঘরের মেঝেতে নারায়ণ চক্রবর্তীর পচাগলা দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের জানান। খবর দেওয়া হয় কল্যাণী থানায়। পরে গয়েশপুর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

    কী কারণে নারায়ণ চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্বাভাবিক মৃত্যু, নাকি অন্য কোনও কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে—তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে কল্যাণী থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

    পরিবারের তিন সদস্যই মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের সঙ্গে বাইরের মানুষের যোগাযোগ ছিল সীমিত। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে তাঁদের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়া হত। এই ঘটনার পর ওই পরিবারের বাকি সদস্যদের নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)