• নন্দীগ্রামের লড়াইয়ে নেই মমতা! রেজিনগর উপনির্বাচনেও প্রার্থী ঘোষণা কালীঘাট তৃণমূলের
    প্রতিদিন | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • প্রতীক জটিলতার মাঝেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করল কালীঘাট তৃণমূল। দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা ছিল, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে পারেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে প্রার্থী দেবে না বলে ঘোষণা করেছিল ঋতপন্থী তৃণমূল। কিন্তু ভোটের লড়াইয়ে শামিল হওয়ার সাহস দেখাতে পারলেন না মমতা। নন্দীগ্রামে প্রার্থী করা হয়েছে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে। রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের হয়ে লড়বেন রবিউল আলম চৌধুরী। 

    ছাব্বিশের ভোটে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর-দুটি কেন্দ্রেই জয়ী হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম মেনে একটি আসন ছাড়তে হতো তাঁকে। নিজের গড় নন্দীগ্রামের আসনটি ছেড়ে দেন শুভেন্দু। ফলে  ওই কেন্দ্র বিধায়কশূন্য হয়ে পড়ে। অন্যদিকে, মু্র্শিদাবাদের রেজিনগর ও নওদা- জোড়া কেন্দ্রে জেতেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত অর্থাৎ আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। স্বাভাবিকভাবেই বিধায়ক শূন্য ওই দুই আসন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে আগামী ৬ অক্টোবর হবে উপনির্বাচন। 

    উপনির্বাচনে দুই আসনে কাকে প্রার্থী করবে তৃণমূল তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা চলছে। কারণ, তৃণমূল এই মুহূর্তে দুভাগে বিভক্ত। একদল যারা মমতাপন্থী অর্থাৎ কালীঘাট তৃণমূল। আরেকদল হল ঋতব্রতপন্থী। তাঁদের দাবি দুই তৃতীয়াংশ বিধায়ক সঙ্গে থাকায় তাঁরাই ‘আসল তৃণমূল’। এই মুহূর্তে দুই তরফের মধ্যে প্রতীক নিয়ে চলছে দড়ি টানাটানি। মনে করা হচ্ছিল, চেনা নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জিতে আসতে পারলে তা যে কেরিয়ারের জন্যই লাভজনক হত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মমতা প্রার্থী হলে নন্দীগ্রামে প্রার্থী দেবে না বলেও জানিয়েছিল ঋতপন্থীরা। কিন্তু দেখা গেল, আরও একবার ভোটের ময়দানে নেমে সরাসরি লড়াইয়ের সাহসই দেখাতে পারলেন না কালীঘাট তৃণমূলের নেত্রী। এ প্রসঙ্গে বিধায়ক (ঋতপন্থী) মদন মিত্র বলেন, “আমার ধারণা মার্জিনটা ৫০ হাজার হয়ে যাবে। বিজেপি প্রার্থী ৫০ হাজার ভোটে জিতবে। কারণ শুভেন্দু অধিকারীর কাছে সঞ্জিতা বা বঞ্চিতা কোনও ফ্যাক্টরই নন।” 
  • Link to this news (প্রতিদিন)