এই সময়, আলিপুরদুয়ার: আগামী ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিনে বক্সায় বাঘিনি আনার প্রক্রিয়ায় আজ, সোমবার বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভে হাজির থাকবেন ৩টি বিশেষজ্ঞ দলের ১৫ জন সদস্য। বিহার থেকে বাঘিনিকে সড়ক পথে বক্সায় আনার জন্য তিনটি টিম বানিয়েছে ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটি। প্রতিটি দলে থাকছেন পাঁচ জন করে বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ। দলগুলি গঠন করা হয়েছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প, সুন্দরবন টাইগার রিজার্ভ এবং দেরাদুনের ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউটের বাঘ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে।
জানা যাচ্ছে, বক্সার জঙ্গলে পাঠানোর জন্য বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভে প্রাথমিক ভাবে ১২টি বাঘিনির উপরে নজর রাখা হয়েছিল। তবে চুড়ান্ত বাছাই শেষে তিনটি বাঘিনিকে নির্বাচিত করা হয়েছে, যারা সদ্য যৌবনে পা রেখেছে। তাদের থেকেই একটিকে বেছে বিশেষ অ্যাম্বুল্যান্সে নিয়ে আসা হবে বক্সায়।
ওই বাঘিনিকে আনার জন্য একটি বিশেষ খাঁচা ইতিমধ্যেই ইন্দোর থেকে বক্সায় আনা হয়েছে। বাঘিনিকে আনতে দু'টি অ্যাম্বুল্যান্স বিহারের নেপাল সীমান্ত লাগোয়া দক্ষিণ চম্পারণের বাল্মীকি জঙ্গলে যাবে। পথের ক্লান্তি নিয়ন্ত্রণে এবং যাত্রাপথেই বাঘিনির শারীরিক অবস্থা পরীক্ষার জন্য একাধিক বার যাত্রা-বিরতি রাখা হতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গ বন দপ্তরের এক শীর্ষকর্তার মন্তব্য, 'একটা প্রশ্ন উঠেছে যে, কেন আমরা প্রাথমিক ভাবে বাঘিনি আনার সিদ্ধান্ত নিলাম। কারণ ইতিপূর্বে বিগত টানা কয়েক বছর শীতের মরশুমে বক্সা লাগোয়া ভুটান ও মানস থেকে পুরুষ বাঘ ঢুকেছে বক্সায়। তাই এখানে বাঘিনি এলে 'পরিযায়ী' বাঘ সেই সঙ্গিনীর আকর্ষণে এখানে থেকেও যেতে পারে।'