আজকাল ওয়েবডেস্ক: জোড়াফুল প্রতীক থাকবে কার দখলে, এই নিয়ে 'লড়াই' চলছে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। তবে বল এখন নির্বাচন কমিশনের কোর্টে। কমিশন শনিবার দু'পক্ষের কথা শুনেছে। তথ্য যাচাই হয়েছে। এসবের মধ্য়েই রবিবার মমতাপন্থী তৃণমূলের তরফে রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই তৃণমূলকে একহাত নিলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। নিজস্ব মেজাজে তিনি বলেন, "যাদের হারার ভয় থাকে, তারা আগে প্রার্থী দিয়ে একটু পাবলিসিটির চেষ্টা করেন।"
উপনির্বাচনে কাীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা ও ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল দিলীপ ঘোষকে। জবাবে সোমবার ইকোপার্কে পঞ্চায়েতমন্ত্রী বলেন, "আদালত বা কমিশন যা বলবে সেটাই ঠিক। যাকে সুযোগ দেবে তিনি ব্যবহার করবেন। এ ব্যাপারে কিছু বলার নেই।" এরপরই তাঁর স্লেজিং, "যে পার্টিকে মানুষ ছেড়ে দিয়েছেন তার আবার আসল নকল কী? গত নির্বাচনে তো প্রতীক ছিল, হেরে গেছেন। প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ নয়।"
বিরোধী দল আগেভাগেই উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করে দিল। কেন পারল না পদ্ম শিবির? দিলীপের যুক্তি, "অনেকেই প্রার্থী দেবেন, যাদের হারার ভয় থাকে, তারা আগে প্রার্থী দিয়ে একটু পাবলিসিটির চেষ্টা করেন। বিজেপি সংগঠিত পার্টি, একটা বাই ইলেকশনের জন্যও পার্লামেন্টারি বোর্ডের মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিয়ে দিতে হয়। তৃণমূলের সেই চাপ নেই। বাড়ির চাকর বাকর-কেও ক্যান্ডিডেট করে দিলেও চলে। আমাদের রীতিনীতি মেনে হবে। আমরা জিতবোও।"
নির্বাচনে মানুষই শেষকথা। তা বোঝাতে গিয়ে চাঁচাছোলা ভাষায় রাজ্যের এই মন্ত্রী বলেন, "দুর্নীতিবাজ চোর ছেচ্চর ছাড়া ওদের কেউ আছে। মানুষ একবার নির্ণয় নিয়েছেন, আরেকবার নেবেন। নির্বাচন আসুক।"
এদিকে রেজিনগরে উপনির্বাচনে সিপিআইএম-এর পর এবার প্রার্থী দিল আরএসপি-ও। দফায় দফায় আলোচনার পরেও প্রার্থী দেওয়া নিয়ে এই আসনে জটিলতা কাটেনি বামফ্রন্টের দুই শরিকের। যা নিয়ে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, "সবাই চায় পার্টির নাম সামনে আসুক, তাই করছে।"
ছন্নছাড়া বিরোধীরা। এই অবস্থায় অ্যাডভানটেজ শাসক দল বিজেপির। তাই উপনির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী দিলীপ ঘোষও।