ডেঙ্গু নিয়ে চিন্তা শেষ! বাজারে কবে থেকে মিলবে টিকা?
আজকাল | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে ক্রমশ বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ। ডেঙ্গুবাহী মশার জন্ম সাধারণত বসতবাড়ি বা তার আশেপাশের অঞ্চলেই। তাই বাড়ির চারিধারে কোথাও জল জমছে কিনা, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। মশার কামড় থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে সতকর্তামূলক পদক্ষেপ করতে হবে। রবিবার কলকাতায় এসে এমনই মন্তব্য করেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ বা আইসিএমআর (ICMR)-এর ডিরেক্টর জেনারেল রাজীব বাহেল। পাশাপাশি, ডেঙ্গু ভ্যাকসিন ট্রায়াল নিয়ে সর্বশেষ আপডেটও দিলেন তিনি।
রবিবার কলকাতার এক অনুষ্ঠানে রাজীব বাহেল বক্তৃতা দেন। এ দিন ডেঙ্গু ভ্যাকসিন আবিষ্কারের অগ্রগতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি। জানান, আইসিএমআর-এর উদ্যোগে দেশের ২০টি কেন্দ্রে বর্তমানে ডেঙ্গু টিকার তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। ১০,৩৩৫ জনকে নিয়ে ডাবল-ব্লাইন্ড পদ্ধতিতে এই পরীক্ষামূলক ট্রায়াল চলছে। টিকার ট্রায়ালে স্বেচ্ছাসেবক সংগ্রহে কিছুটা দেরি হওয়ায় এর কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় লাগছে বলে জানান তিনি। বর্তমানে টিকার দু'বছর মেয়াদী ফলো-আপ পর্বের প্রায় এক বছর সম্পন্ন হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আগামী বছর শেষ হওয়ার আগেই এই টিকা সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য বাজারে আসতে চলেছে।
পাশাপাশি, রবিবার তিনি জানান, ফুলের টবে জমে থাকা জল বা বাড়ির বাইরে ফেলে দেওয়া পাত্রের সামান্য জলও মশার বংশবৃদ্ধির আদর্শ জায়গা হতে পারে। সাধারণত, ডেঙ্গুর মশা দিনের আলো থাকতে থাকতেই কামড়ায়। তাই তাঁর পরামর্শ, দিনভর সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি মশা তাড়ানোর ক্রিম বা রেপেলেন্ট ব্যবহার করতে হবে। তিনি আরও জানান, বাড়ির বাইরেই সাধারণত ম্যালেরিয়ার মশা জন্মায়, সে ক্ষেত্রে প্রশাসন তা নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু ডেঙ্গুর মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করতে বাড়ির ভেতর ও চারপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি। তাই সে ক্ষেত্রে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সমান দায়িত্ব নিতে হবে।