• বিজেপিতে যোগ দেওয়া সময়ের অপেক্ষা ১৭ জন সাংসদের, আটকে আইনি জটিলতায়
    বর্তমান | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারের সাংসদ। একটা সময় সিতাইএর বিধায়ক ছিলেন। সেই সিতাইতেই বাড়ি। কিন্তু এখন নিজের এলাকাতেই সাংসদ কার্যালয়ে আসতে গিয়ে বারবার আমাকে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে তৃণমূলের টিকিটে লোকসভা নির্বাচনে জেতা জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার। যদিও রাজ্যে পালাবদলের পর তিনিও দল বদলেছেন। জগদীশ বর্মা বসুনিয়া সহ আরও ১৯ জন তৃণমূল সাংসদ যোগ দিয়েছেন এনসিপিআইতে। তারপরেও রেহাই মেলেনি। রবিবার তার কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

    আজ সিতাইতে নিজের বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করে জগদীশ বর্মা বসুনিয়া জানান, তিনি এখন আর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ নন, তিনি কোচবিহারের সাংসদ। তৃণমূলের জমানায় কোন উন্নয়ন হয়নি। দলীয় বৈঠকে তাদের বলতে দেওয়া হত না। শুধু নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে যেতেন। রাজবংশী যুবকদের উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে তাকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধমক খেতে হয়েছে। উনি তার ফোন ধরতেন না।

    তিনি আরও বলেন, ‘কেউ বলতে পারবে না কোন কাজের জন্য টাকা দিতে হয়েছে। আমি এখন তৃণমূল কংগ্রেসে নেই। আমি এনসিপিআইতে আছি এবং আমরা এনডিএ শরিক।’ এদিন তিনি আরও জানান, বিশেষ পরিস্থিতির উপর দাঁড়িয়ে তাঁকে আজকের সাংবাদিক বৈঠক করতে হচ্ছে। শুধু তাঁর সাংসদ তহবিলের টাকা দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর তার জন্যই তিনি সহ তৃণমূলের ১৭ জন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিতে চান। এনসিপিআই নামে একটি দলে তারা আপাতত অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এখন আর তাদের বিজেপিতে যেতে কোন বাধা নেই। আইনি জটিলতা মিটলেই তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেবেন বলেও এদিন জানান কোচবিহারের সাংসদ। আরও তিন জন সংখ্যালঘু তৃণমূল সাংসদ, তারা এনসিপিআইতেই থাকবেন। তবে তারও এনডিএকে সমর্থন করবেন। 
  • Link to this news (বর্তমান)