সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ভেসেল পরিষেবা বন্ধের পোস্টার নিয়ে শোরগোল পড়েছে পাথরপ্রতিমা এলাকায়। সম্প্রতি পাথরপ্রতিমার বিরাটবাজার ও বনশ্যামনগর মৌজা এবং কালীবাঙাল ও চাঁদমারি ফেরিঘাটে পোস্টারগুলি লাগানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিরাটবাজার ও বনশ্যামনগর মৌজার মাঝখানে পাখিরালা নদী রয়েছে। অন্যদিকে কালীবাঙাল ও চাঁদমারি ফেরিঘাটের মাঝে চালতাবুনিয়া নদী রয়েছে। গাড়িতে করে এই দুটি নদী পারাপারের জন্য ভেসেল পরিষেবার ব্যবস্থা রয়েছে। গত দেড় বছর ধরে এই পরিষেবা চলছে। কিন্তু পয়লা অক্টোবর থেকে এই ভেসেল পরিষেবা বন্ধ থাকবে বলে ফেরিঘাটগুলিতে একটি নোটিশ টাঙানো হয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘অনিবার্য কারণবশত আগামী পয়লা অক্টোবর ২০২৬ হইতে বিরাটবাজার-বনশ্যামনগর এবং কালীবাঙাল-চাঁদমারি রোরো ফেরি সার্ভিস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। পুজোর আগে এই নোটিশকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
এ বিষয়ে বনশ্যামনগরের এক বাসিন্দা শিবপ্রসাদ সাউ বলেন, ফেরিঘাটগুলির দুই পারে হঠাৎই ভেসেল বন্ধের নোটিশ টাঙানো হয়েছে। কিন্তু কী কারণে ভেসেল পরিষেবা বন্ধ করা হবে, তার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এমনকী কে বা কারা এই নোটিশ লাগিয়েছে, সেটিও উল্লেখ করা হয়নি। পুজোর আগে ভেসেল পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেলে, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়বেন।
পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীরকুমার জানা বলেন, পুজোর মরশুমে ভেসেল পরিষেবা চালু রাখার জন্য সরকারপক্ষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিডিওর সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে। আর সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী দীপঙ্কর জানা বলেন, বিষয়টি শুনেছি। খোঁজ নিয়ে দেখছি। কিন্তু ওই নোটিশের নীচে কারও সই নেই। কারা টাঙিয়েছেন, বোঝা যাচ্ছে না। তবে ভেসেল পরিষেবা যাতে স্বাভাবিক থাকে, সেই ব্যবস্থা করা হবে।