• সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরেই খুন স্ত্রী ও তিন মেয়েকে? খরচ সামাল দিতে আংটি বিক্রির চেষ্টাও, পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত
    এই সময় | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • বাড়ির মধ্যেই তিন মেয়ে এবং স্ত্রীকে খুন করেছিলেন বছর ৪৫ বয়সি এক ব্যক্তি। তার পরে থেকেই পলাতক ছিলেন তিনি। রাজস্থানের জয়পুর শহরের কারধানি এলাকার এই ঘটনায় অভিযুক্ত রাহুল ঝাকে রবিবার গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিকার জেলার রিঙ্গাস এলাকায় একটি হোটেল থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    সূত্রের খবর, গত শুক্রবার সকালে জয়পুরের গোবিন্দপুরা এলাকায় নিজের তিন মেয়ে এবং স্ত্রীয়ের মাথা থেঁতলে খুন করেন রাহুল। বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার আগে বৃদ্ধ বাবাকে চা করে দেন তিনি। বৌমার বদলে ছেলে চা দিতে আসায় সন্দেহ হয় বৃদ্ধের। সেই কথা জিজ্ঞেস করায় রাহুল জানান, তাঁর স্ত্রী এখনও ঘুমোচ্ছেন। এর পরেই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি।

    ঘটনার কথা জানাজানি হতেই রাহুলের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে জয়পুর থেকে বেরিয়ে তিনি খাটু শ্যামের মন্দিরে যান। মন্দিরের কাছেই একটি হোটেলে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন তিনি। সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ফুরিয়ে যাওয়ায় এবং খরচ সামাল দিতে না পেরে হোটেলের এক কর্মীর কাছে নিজের হাতের আংটিও বিক্রি করতে চান তিনি। কিন্তু, সেই আংটি বিক্রি করতে না পেরে টাকার অভাবে হোটেল ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন তিনি।

    গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এলাকায় তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। হোটেল থেকে বেরোতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জেরায় নিজের কৃতকর্মের কথা স্বীকার করে নেন রাহুল। জানান, স্ত্রী গীতা (৪০), নন্দিনী (২৩), রাধিকা (১৭) এবং গৌরি (১৪)-কে মাথা থেঁতলে খুন করেছেন তিনি। খুনের কারণ হিসেবে রাহুল জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী এবং বড় মেয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভালো নয়। সেই টানাপড়েনের জেরেই তাঁদের খুন করেছেন তিনি। গোবিন্দপুরার বাড়ি থেকে রাহুলের মোবাইল ফোন এবং রক্তমাখা জামাকাপড়ও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

  • Link to this news (এই সময়)