পুতুলের মতো দেখতে লাল লাল ফোলা গাল, টানা চোখ, মুখে স্মিত হাসি, পেল্লায় সাইজ়ের এই ‘কিউট গণেশই’ বরাহনগরে এ বার ভাইরাল। যা সোশ্যাল মিডিয়াতেও খুব ভাইরাল হয়েছে। আট থেকে আশি সকলেই দলে দলে দেখতে এসেছে এই মূর্তি। বরাহনগরে কেশব চন্দ্র কলেজের ঠিক পাশের প্রাঙ্গনেই এই পুজো হচ্ছে। প্রতিমা দেখতে গণেশ চতুর্থীর দিন সকাল থেকেই মণ্ডপে ভিড় জমিয়েছেন দর্শনার্থীরা।
বরাহনগরের ‘হাওয়া সকাল’ ক্লাবে এই ‘কিউট গণেশ’ বা ‘বেবি গণেশ’-এর পুজো করা হয়েছে। গত বছরেও তারা ‘বাল গণপতি’ বানিয়েছিল। কলকাতার বিখ্যাত মৃৎশিল্পী পরিমল পাল এই মূর্তিটি তৈরি করেছেন। এই ক্লাবের পুজো উদ্যোক্তারা এই সময়কে জানিয়েছে, এ বছর শুধু নয়, প্রতিবছর এই ধরনের বাচ্চা বা পুতুলের মতো গণেশ প্রতিমা বানানো হয়। শিল্পী পরিমাল পাল এই মূর্তিটিকে একদম একটি বাচ্চার আদলেই তৈরি করেছেন। এ বছর ১৫ বছরে পড়েছে তাদের পুজো।
তাঁরা আরও জানিয়েছেন এই মূর্তিটি সাবেকিয়ানার থেকে আলাদা একটু ভিন্ন স্টাইলে বানানো হয়েছে। সেখানকার পুরোহিত জানিয়েছেন, এই ধরনের গণেশ পুজোতে কোনও আলাদা নিয়ম কিছু নেই। তাঁর কথায়, ‘ভগবানের নানা রূপ রয়েছে। এখানে বাল্য রূপে পূজিত হচ্ছেন গণেশ’।
স্থানীয়রাও জানিয়েছেন, এই গণেশ মূর্তিটি দেখতে খুব সুন্দর হয়েছে। অনেকে জানিয়েছেন, প্রতিবছরই ‘হাওয়া সকাল’ ক্লাব এই ধরনের ভিন্ন ভিন্ন ধরনের মূর্তি তৈরি করে চমক দেয়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
উল্লেখ্য, এর আগে সরস্বতী পুজোতেও এমন ‘কিউট সরস্বতী’ বা ‘বেবি সরস্বতী’ সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব ভাইরাল হয়েছিল। কলকাতার অনেক ক্লাব এই ধরনের মূর্তি বানিয়েছিল। আর এ বার গণেশ চতুর্থীতেও ভাইরাল হলো এই ট্রেন্ড।